জ্ঞানপোকা
৫০০ মিটার দূর থেকে শোনে যে প্রাণী
সমকাল ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:০৭
| প্রিন্ট সংস্করণ
তিমি হাঙর সাগর তীরে কম চলাফেরা করলেও হাঙররা সমুদ্রের গভীরে চলা ফেরা করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ছবিতে ইয়াব্বড় হাঙর দেখে যারা ভয় পেয়ে যাও তাদের বলি, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হাঙরকে বলা হয় তিমি হাঙর। লম্বায় এই ধরো ৩৯ ফুটের মতো হয় তারা।
৯ ইঞ্চি হাঙর: ভয়টা আরও বেড়ে গেলো? শোনো, ছোট হাঙরও আছে। এই ধরো তোমার বাম হাতের সমান। সবচেয়ে ছোট হাঙর লম্বায় মাত্র ৯ ইঞ্চি! এই পিচ্চিদের বলে, পিগমি হাঙর।
কঙ্কাল: অন্য আট-দশটা প্রাণীর চেয়ে হাঙরের কঙ্কাল পুরোই আলাদা। এই ভিন্নতার অন্যতম কারণ হচ্ছে চোয়াল। হাঙরের চোয়ালে শক্তি অনেক। ফলে তাদের গঠনও অন্যরকম। টেসেরি নামের একটি স্বর আছে চোয়ালের কাছে; যা তাদের চোয়ালে শক্তি জোগায়।
কান বাড়িয়ে ৫০০ মিটার: সাগরে থাকা প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শুনতে পায় তিমি হাঙর। নিজের অবস্থান থেকে ৫০০ মিটার দূরে সামুদ্রিক মাছের লেজ নাড়ানোও শুনতে পায় তারা!
ঘণ্টায় ত্রিশ কিলোমিটার: গভীর সমুদ্রে শক্তিশালী আরেক হাঙরের দেখা মিলে, যাদের শরীর সাদা মেঘের মতো। এরা এতোই শক্তিশালী, ঘণ্টায় ত্রিশ কিলোমিটার পর্যন্ত সাঁতরে যেতে পারে। ভাবা যায়!
পেছনের দাঁতে শক্তি: হাঙরের সামনের দাঁতে যে শক্তি দেখা যায়, তার সাপোর্ট কিন্তু পেছনের দাঁত থেকেই আসে। সামনের বড় দাঁতের পেছনেই ছোট আরেক সারি দাঁত আছে তাদের। সেই দাঁত সামনের বড় দাঁতে শক্তি জোগায়।
হাঙর ছানা: জন্মের পর থেকেই হাঙর ছানা নিজের যত্ন-আত্তি নিতে শিখে যায়। মা কুকুরের মতো মা হাঙরও ছানাকে শিকারের নানা কৌশল শেখায়।
শরীর ঠিক রাখতে খাওয়া: মাংস না খেলে শরীরের তাপমাত্রা ঠিকঠাক রাখতে পারে না হাঙর। এই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য তারা মাংসের পেছনে ছোটে।
সুইমিংপুলে: একটি বড়োসড়ো হাঙর এনে দিব্যি সুইমিংপুলে ধরে রাখা যাবে। কীভাবে? বেশি কিছু না, শুধু এক ফোঁটা তাজা রক্ত সুইমিংপুলে ছড়িয়ে দিলেই চলবে!
- বিষয় :
- মাছ