ঢাকা বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

করোনা ঠেকাতে বিশ্বের ৫ ভাগের ১ ভাগ মানুষকে ঘরে থাকার আহবান

করোনা ঠেকাতে বিশ্বের ৫ ভাগের ১ ভাগ মানুষকে ঘরে থাকার আহবান
×

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২০ | ০৩:৪০

করোনাভাইরাসের উৎপত্তি চীনে হলেও এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে।  মারাত্মক ছোঁয়াচে এ ভাইরাসের কবল থেকে মানুষকে রক্ষায় সোমবার বিশ্বের ১৫০ কোটি  বা ৫ ভাগের ১ ভাগ মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে র্কতৃপক্ষ।
এরই মধ্যে চীনের অবস্থার উন্নতি হলেও ভাইরাসটি এখন ইউরোপ-আমেরিকায় মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। সেই সঙ্গে মাস্ক, ভন্টেলিটেরসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রীর সংকটও দেখা দিয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপরে জন্য চলতি সপ্তাহ খুবই গুরুত্বর্পূণ। করোনার প্রার্দুভাব রোধে সংস্থাটির প্রধান ইতিমধ্যে তার সদস্য দেশগুলোকে শক্তিশালী, সমন্বতি পদক্ষপে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডব্লিউএইচও’র প্রধান টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুস জানিয়েছেন,  ভাইরাসটিতে প্রথম ১ লাখ আক্রান্ত হতে সময় লেগেছিল ৬৭ দিন। কিন্তু পরবর্তীতে ২ লাখ থেকে ৩ লাখ হতে সময় লেগেছে মাত্র চার দিন। তার ভাষায়, এমন পরিস্থিতিতে ‘আমরা অসহায়ের মতো নীরব হয়ে থাকতে পারি না।’
যুক্তরাষ্ট্রের  নিউইয়র্কে এখন পর্যন্ত করেনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ। এতে মৃত্যু হয়েছে ১০০ জনের বেশি মানুষের। প্রায় ৮ দশমিক ৪ মিলিয়ন জনসংখ্যার  এই নগরকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার সবচেয়ে বড় কেন্দ্র  হিসেবে ধরা হয়েছে।
গোটা ইউরোপে করোনাভাইরাসের কেন্দ্রস্থল ইতালি আর দেশটিতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা লম্বার্দি অঞ্চলে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে ্ওই দেশে মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়েছে।
এছাড়া ইউরোপে অন্যান্য দেশ স্পেন, ফ্রান্স ও জার্মানিও করোনাভাইরাসের কবলে পড়েছে।
বাংলাদেশে সোমবার পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ৩৩ জন আক্রান্তের খবর জানা গেছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩ জন আর সুস্থ হয়েছেন ৫ জন।
মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৫১৫ জনে।
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, নভেল করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯৬৫ জন। এদের মধ্যে বর্তমানে ২ লাখ ৬০ হাজার ৩৮১ জন চিকিৎসাধীন এবং ১২ হাজার ৬২ জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লাখ ২ হাজার ৬৯ জন।


আরও পড়ুন

×