ঢাকা সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

কাজে ফেরার খুশিতে চুমু প্রতিযোগিতা

কাজে ফেরার খুশিতে চুমু প্রতিযোগিতা
×

ছবি: টুইটার থেকে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২০ | ০৩:৩৪ | আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২০ | ০৪:২৭

মহামারী করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি মিলেছে, খুলেছে কারখানা। আর সেই খুশিতে একেবারে চুমু প্রতিযোগিতায় মেতে উঠলেন নারী-পুরুষ শ্রমিকরা। এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে চীনের জিয়াংশুর সুঝৌ শহরের একটি আসবাব কারখানা কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনার ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিশ্বজুড়েই। তবে কারখানা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, চুম্বনে অংশ নেওয়া প্রতিযোগী জুটির মাঝখানে স্বচ্ছ কাচের বেড়া ছিল। 

চীনে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে নেওয়া লকডাউন শিথিল হয়েছে অনেক জায়গায়। এরই সুযোগ নিয়ে সোমবার সুঝৌ শহরের উয়েইয়া আসবাব কারখানা খুলে দেওয়া হয়। আর সেই খুশিতে সামাজিক দুরত্ব নীতি ভেঙে চুম্বন প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেন শ্রমিকরা। 

চুম্বন প্রতিযোগিতার আয়োজকরা জানান, কারখানার ১০ জন নারী শ্রমিক ও ১০ জন পুরুষ শ্রমিক চুম্বনে অংশ নেন। ভাইরাল হওয়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, মাঝখানে স্বচ্ছ কাচের আবরণ রেখে ১০ নারী ১০ জন পুরুষ সহকর্মীকে চুমু দিচ্ছেন। এ সময় তারা মুখের মাস্ক নামিয়ে নিয়েছেন। এসময় শ্রমিকদের পরনে নীল বয়লার স্যুট ছিল। 

চীনের গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা কারখানা খোলার খুশিতেই চুম্বন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে অনেক দিন পর কাজে ফেরা শ্রমিকদের কাজের প্রতি স্পৃহা বাড়বে। তারা স্বতঃস্ফুর্তভবে কাজ করতে পারবে।  

কারখানাটির মালিক মা দাবি করেন, শ্রমিকদের মাঝখানে কাচের আবরণ ছিল। এভাবে তারা দুরত্বে থেকেই চুম্বনে লিপ্ত হয়েছে, যাতে করোনার সংক্রমণ ঝুকি এড়ানো যায়। আর একেক জুটির চুম্বন শেষে ওষুধ দিয়ে গ্লাস কয়েকবার পরিষ্কার করা হয়েছে। তিনি এও দাবি করেন, প্রতিযোগী জুটির মধ্যে কয়েকজন বিবাহিত দম্পতি ছিলেন, যারা একই কারখানায় কাজ করছেন।  তিনি বলেন, করোনা মহামারীর কারণে সবাই আতংকের মধ্যে দিন কাটিয়েছে। তাদের মনকে খুশি করতেই এ আয়োজন। 

উল্লেখ্য,  চীন থেকেই প্রথম করোনার প্রাদুর্ভাব ঘটে। এরপর মহামারীটি ছড়িয়ে পড়ে পুরো বিশ্বে। এ ভাইরাসে চীনে ৪৬০০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে দাবি দেশটির কর্তৃপক্ষের। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের সন্দেহ, চীনে মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি হবে।  কারণ, বিশ্বে ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৬০ হাজারের মতো মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।  সূত্র : এনডিটিভি। 

আরও পড়ুন

×