সংঘাত সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সচল
ওমান উপকূলে নোঙর করা একটি জাহাজ। ফাইল ছবি: এএফপি
আলজাজিরা ও মিডল ইস্ট আই
প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬ | ১৫:১৭
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়া সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ট্যাংকার চলাচল বেড়েছে। জাহাজ ট্র্যাকিংয়ের সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চীন, গ্রিস ও কাতারসহ কয়েকটি দেশের অন্তত পাঁচটি এলএনজি ট্যাংকার প্রণালিতে প্রবেশ করেছে।
কেপলার ও এলএসইজি জানিয়েছে, গত দুই দিন ধরে চলা সংঘাতের মাঝেই অন্তত পাঁচটি খালি এলএনজি ট্যাংকার প্রণালিতে প্রবেশ করেছে। এই জাহাজগুলোর মধ্যে আছে গ্রিক শিপিং কোম্পানি গ্যাস্লগের নিয়ন্ত্রণাধীন ‘গ্যাস্লগ সাংহাই’ এবং কাতারএনার্জির সঙ্গে যুক্ত আল সামরিয়া, আল দাফনা, আল গাত্তারা ও আল রায়ান।
জাপানের পরিবহনমন্ত্রী ইয়াসুশি কানেকো এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ৭ থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে প্রণালি পার হওয়া ছয়টি বড় অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকারসহ টোকিওর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মোট ২২টি জাহাজ পারস্য উপসাগর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছে।
এদিকে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও প্রণালি দিয়ে জাহাজ চালানো এবং ক্রুদের জীবন বিপন্ন করার অভিযোগে থাইল্যান্ডের একটি জাহাজ পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শুক্রবার মামলা হয়েছে। ‘ময়ূরী নারী’ নামের জাহাজটি গত মার্চ মাসে হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হয়।
হামলার সময় জাহাজে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন নিহত হন। বাকি ২০ জনকে প্রায় এক সপ্তাহ পর উদ্ধার করে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে তিনজন শুক্রবার বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি এশিয়ার দেশগুলোর- বিশেষ করে ভারত, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব দেশের নাগরিকরাই মূলত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ক্রুর একটি বড় অংশ।
- বিষয় :
- হরমুজ প্রণালি
- জাহাজ চলাচল
- ইরান
- যুক্তরাষ্ট্র