থাইল্যান্ড
সরকারি কর্মকর্তাকে হত্যার পর ইউটিউবে সাবেক এমপির স্বীকারোক্তি
ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেন ফরেনসিক দলের সদস্যরা। সোমবার থাইল্যান্ডের নানথাবুরি প্রদেশে। ছবি: এএফপি
বিবিসি ও এএফপি
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:৪০ | আপডেট: ১০ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:৪৭
থাইল্যান্ডের এক সাবেক এমপির দাবি, তিনি পুলিশের সাবেক এক কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা করেছেন। চালং রিয়ারাং নামের ওই সাবেক এমপি প্রথমে ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন। গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলন করেও একই কথা বলেছেন।
চালং রিয়ারাং থাইল্যান্ডের নানথাবুরি এলাকার এমপি ছিলেন। সোমবার রাজনৈতিক বিশ্লেষক আঞ্চালি পাইরিয়ারাকের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা থংচাই ইয়েনপ্রাসের্তকে নিজ অফিসের বাইরে গুলি করেছেন। গলায় গুলি লাগা থংচাই হাসপাতালে মারা যান। তাঁর চালক হাত ও বাহুতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা থংচাই ছিলেন ননথাবুরি প্রাদেশিক প্রশাসনিক সংস্থার সভাপতি। এটি একটি স্থানীয় সরকারি সংস্থা। ঘটনার পর পুলিশ চালংকে গ্রেপ্তার করেছে। পরে একটি পুলিশ স্টেশনের ভেতর তাঁকে সংবাদ সম্মেলন করার অনুমতি দেয়। সেখানে ধূমপান করতে করতে চালং ঘটনার বর্ণনা দেন।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংবাদ সম্মেলনে নিহত থংচাইকে ভালো বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন চালং। বলেন, থংচাই তাঁর ওপর রেগে ছিলেন। তাঁকে গুলি করার কোনো ইচ্ছা তাঁর ছিল না। তিনি থংচাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সে তাতে রাজি হচ্ছিল না। এরপর তিনি থংচাইয়ের গাড়ি অনুসরণ করতে শুরু করেন।
চালং বলেন, ‘আমি যখন বন্দুক বের করি, তখন গুলি করার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু থংচাইয়ের গাড়িচালকও বন্দুক বের করে আমার দিকে তাক করে। তখন আমি গুলি করি।’
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় থংচাইয়ের সঙ্গে টাকা-পয়সা নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলেন চালং। তিনি থাইল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের দলের সাবেক সদস্য। সাংবাদিকদের আনুতিন বলেছেন, ‘যেই হোক না কেন, এখন সে একজন খুনি। কর্তৃপক্ষ পূর্ণ আইনি ব্যবস্থা নেবে।’
থাই প্রধানমন্ত্রী জানান, দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ছাড়া দেশটিতে প্রকাশ্যে কারও বন্দুক ব্যবহারের অনুমতি নেই।
- বিষয় :
- হত্যা
- সাবেক এমপি
- থাইল্যান্ড