ঢাকা রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে

বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে
×
×

ছবি: রয়টার্স

রয়টার্স

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৭:০৯ | আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৭:২৫

দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে। গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার নির্বাচনে কোনো প্রার্থীই প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় শীর্ষ দুই প্রার্থীর মধ্যে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মূলত আনুষ্ঠানিক ক্ষমতাসম্পন্ন প্রেসিডেন্ট পদে কে দায়িত্ব নেবেন, তা নির্ধারণেই এ নির্বাচন।

প্রথম দফার নির্বাচনে ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল রেকর্ড পরিমাণ কম। ফলাফলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইয়াতোভা (৬১) সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রে গিউরভের (৫০) চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তবে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশ ভোট পাননি তিনি।

রোববার স্থানীয় সময় রাত ৮টায় (১৮০০ জিএমটি) ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বুথফেরত জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। ব্যালট গণনা শেষে সোমবার চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যেতে পারে।

এমন এক সময়ে বুলগেরিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন গত এক মাসে দেশটির কৃষ্ণসাগর উপকূলে বাণিজ্যিক জাহাজে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ ও নিন্দার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হামলাগুলোতে প্রায় দুই ডজন নাবিক নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে মিত্র দেশগুলোর সহায়তা চেয়েছে বুলগেরিয়া সরকার। বুধবার গ্রিসের একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ সমুদ্র-ড্রোনের (সি-ড্রোন) হামলায় ডুবে যায়।

প্রেসিডেন্ট পদের দুই প্রধান প্রার্থীই এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। ইলিয়ানা ইয়াতোভাকে সমর্থন দেওয়া রুমান রাদেভ বলেন, এসব হামলার ফলে রুশ ফেডারেশন উপকৃত হবে। দুই প্রার্থীই ইউক্রেন যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

ইয়াতোভা নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি হবেন বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট। সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে রাদেভ পদত্যাগ করার পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, নির্বাচনে রাদেভের রাজনৈতিক অবস্থান ছিল ক্রেমলিনপন্থী।

অন্যদিকে, চলতি বছর অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা আন্দ্রে গিউরভ পশ্চিমাপন্থী ও সংস্কারবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন পাচ্ছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে কিয়েভের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তিও স্বাক্ষর করেছিলেন তিনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বোইকো বরিসভসহ ডানপন্থী মতাদর্শের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গিউরভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন

×