ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

টিকায়ও চলতি বছর হার্ড ইমিউনিটি হবে না: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

টিকায়ও চলতি বছর হার্ড ইমিউনিটি হবে না: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
×

প্রতীকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২১ | ০৯:৫২ | আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২১ | ১০:২৩

বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হলেও চলতি বছর 'হার্ড ইমিউনিটি' অর্জিত হবে না। গত সোমবার জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সদর দপ্তরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথান এ কথা বলেছেন। অন্যদিকে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান আব্দুল্লাহ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। 

মঙ্গলবার এই জরুরি অবস্থা জারি করেন তিনি। খবর এএফপি ও রয়টার্সের।

আঞ্চলিকভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী যখন একটি সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়, তখনকার পরিস্থিতির পরিভাষাগত নাম 'হার্ড ইমিউনিটি'। সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়া ও টিকাদানের মাধ্যমে হার্ড ইমিউনিটিতে পৌঁছানো যায়।

ডব্লিউএইচওর প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথান বলেছেন, করোনার বিস্তার থামাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক টিকা উৎপাদন ও প্রদান করতে সময় লাগবে। তিনি বলেন, 'আমরা ২০২১ সালে কোনো পর্যায়ের হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করতে পারছি না।'

করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে সামাজিক দূরত্ব, হাত ধোয়া, মাস্ক পরার মতো ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন ওই বিজ্ঞানী। এক বছরের মধ্যে করোনার একাধিক নিরাপদ ও কার্যকর টিকা আবিস্কারের বিষয়টিকে 'অচিন্তনীয়' হিসেবে বর্ণনা করেন সৌম্য স্বামীনাথান। এই সাফল্যের জন্য তিনি বিজ্ঞানীদের প্রশংসা করেন। তিনি এই আবিস্কারকে 'অবিশ্বাস্য অগ্রগতি' বলে অভিহিত করেন।

তবে ডব্লিউএইচওর প্রধান বিজ্ঞানী উল্লেখ করেন, প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকা উৎপাদন ও তা প্রদানে সময় লাগবে। এ জন্য তিনি মানুষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। স্বামীনাথান বলেন, 'আমাদের অবশ্যই ভুলে গেলে চলবে না যে, করোনার বিরুদ্ধে কাজ দেয়, তেমন ব্যবস্থা আছে।'

এ প্রসঙ্গে করোনার বিস্তার ঠেকাতে যেসব জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক বিধি বর্তমানে অনুসরণ করা হচ্ছে, তা অন্তত চলতি বছরের বাকি সময় পর্যন্ত মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন ওই বিজ্ঞানী।

অন্যদিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় মালয়েশিয়ায় এ জরুরি অবস্থার মেয়াদ ১ আগস্ট পর্যন্ত থাকতে পারে। করোনার সংক্রমণজনিত পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী কয়েকদিন আগেই দেশজুড়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং রাজধানী কুয়ালালামপুর ও পাঁচটি রাজ্যে ১৪ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী মুহিদ্দিন ইয়াসিন জানান, করোনাভাইরাসের কারণে ৩ কোটি ২০ লাখ বাসিন্দার দেশ মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা এখন সংকটকাল অতিক্রম করছে।

গত সপ্তাহে দেশটিতে প্রথমবারের মতো একদিনে তিন হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত সোমবার পর্যন্ত সরকারি হিসাবেই আক্রান্ত মিলেছে এক লাখ ৩৮ হাজারের বেশি, মৃত্যু ছাড়িয়েছে সাড়ে পাঁচশ।

আরও পড়ুন

×