ঢাকা রোববার, ২১ জুন ২০২৬

ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন হেমন্ত সোরেন

ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন হেমন্ত সোরেন
×

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অন্য নেতাদের সঙ্গে হেমন্ত সোরেন-এনডিটিভি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৬:৩৯ | আপডেট: ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৬:৪২

ভারতের ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন হেমন্ত সোরেন। রোববার রাঁচিতে শপথ নেন তিনি। 

এমএম-কংগ্রেস-আরজেডি জোট ঝাড়খণ্ডে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হলেন হেমন্ত সোরেন। 

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মূ। খবর এনডিটিভির।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব এবং ডিএমকের এমকে স্তালিন।

হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে শপথ নেন কংগ্রেসের দুই নেতা আলমগির আলম ও রামেশ্বর ওঁরাও এবং আরজেডি বিধায়ক সত্যানন্দ ভোক্তা। রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে তারা শপথ নেন।

অনুষ্ঠানের পরে রাহুল গান্ধী টুইটারে লেখেন, ‘আমি মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনজি এবং কংগ্রেস দলের মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম। ঝাড়খণ্ডে ‌নতুন সরকার মানুষের কল্যাণে কাজ করবে এবং রাজ্যকে শান্তি ও উন্নতির পথে নিয়ে যাবে বলে আমি আত্মবিশ্বাসী।’

এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ও টুইট করে নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেওয়ার জন্য ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন হেমন্ত সোরেন। শপথগ্রহণের আগে একটি ভিডিও টুইট করে তিনি জানান, ‘নতুন সরকারের থেকে আপনাদের প্রত্যাশা আমি বুঝতে পারছি। আমি আপনাদের সবাইকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাই।’

৮১ আসনের বিধানসভার ৪৭টি আসন দখল করে জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডি জোট। নির্বাচনে ভরাডুবি হয় বিজেপির। তারা পেয়েছে মাত্র ২৫টি আসন।

দু'বারের মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেনের পুত্র হেমন্ত সোরেন কম বয়সেই রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন। 

২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি মুখ্যমন্ত্রী অর্জুন মুণ্ডার সরকারে উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। সে সময় দল বিজেপির সমর্থন করে সরকার গড়েছিল। 

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে জেএমএম সরকার থেকে সমর্থন তুলে নিয়ে রাজ্যে কেন্দ্রীয় শাসন জারি হয়। জুলাই মাসে হেমন্ত সোরেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। 

মাত্র ৩৮ বছর বয়সে শপথ নিয়ে দেশের সর্বকনিষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি। তবে সেবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন মাত্র ১৭ মাস।

২০০০ সালে গঠিত হওয়ার পর থেকে ঝাড়খণ্ড এযাবৎ নয়টি সরকার পেয়েছে। তিনবার সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছে।


আরও পড়ুন

×