ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রত্যাশা

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রত্যাশা
×

ইলিরা দেওয়ান

ইলিরা দেওয়ান

প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:৪৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর আমাদের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী ছিল না। আমরা শুধু চেয়েছিলাম এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা, যে ব্যবস্থায় থাকবে না দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দলবাজ, লালফিতার দৌরাত্ম্য। বড় বড় প্রকল্পের ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নিতে দলীয় মাস্তানি বন্ধ হবে, জাতীয় উন্নয়ন খাতসমূহের হবে সুষম বণ্টন। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, দখলদারিত্ব কমবে। 
কিন্তু বছর না ঘুরতেই আমাদের সেই প্রত্যাশা ক্রমেই হতাশায় পরিণত হতে শুরু করে। প্রশাসনে দুর্নীতি, জোরজবরদস্তি করে চেয়ার বাগিয়ে নেওয়া, রাস্তাঘাটে ছিনতাই, চাঁদাবাজি বেড়ে গেছে। মাস্তানি আর মবসন্ত্রাসের মাধ্যমে মৌলবাদ প্রকটভাবে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। নারী নির্যাতন, পথে-ঘাটে নারীকে হেনস্তা ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে আশঙ্কাজনকভাবে। ভিন্ন মত পোষণ করলেই ফ্যাসিবাদের ‘দোসর’ ট্যাগ দিয়ে মব আক্রমণ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করা যেন এ দেশে এখন জায়েজ হয়ে গেছে! মব ত্রাস সৃষ্টি করে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে ঘোষণা দিয়ে হামলার ঘটনাগুলো আমাদের আরও বেশি উদ্বিগ্ন করছে। এ ছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রান্তিক ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, ভিটেমাটি বেদখল, তাদের বাস্তুচ্যুত করার ঘটনা আগের মতোই ফ্যাসিবাদী কায়দায় অব্যাহত রয়েছে।  

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় ছিল বৈষম্যহীন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে সংবাদপত্র ও মানুষের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার, সভা-সমাবেশ করার, স্বাধীন চলাফেরার অধিকার থাকবে। দুর্নীতি ও দলবাজমুক্ত দেশে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে জনগোষ্ঠীকে দেশের উন্নয়নে শরিক করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে। 

কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, দিন গড়ানোর সাথে সাথেই জুলাইয়ের চেতনাও ভুলুণ্ঠিত হওয়ার পথে। জুলাইয়ের চেতনা তার পথ হারিয়ে ফেলছে। পাহাড়ের ক্ষেত্রে জুলাই চেতনার প্রথম আঘাত আসে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে পরপর সংঘটিত সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনার মধ্য দিয়ে। এ ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও বহু বাড়িঘর, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অফিসে হামলা ও আগুন সন্ত্রাসের শিকার হয়ে বিপুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঠিক এক বছর পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে খাগড়াছড়ির গুইমারায় আবারও সহিংস ঘটনা ঘটে এবং এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলির আঘাতে তিন আদিবাসী নিহত হন। এক মারমা স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ চলাকালে এ সহিংস ঘটনা ঘটে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগ এবং বাংলার সংস্কৃতির অন্যতম প্রতিষ্ঠান ছায়ানট ও উদীচীতে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা এটাই প্রমাণ করে জুলাইয়ের চেতনা আজ তলানিতে এসে ঠেকেছে।
দেশ যে এখনও বৈষম্যমুক্ত নয়, সরকার কোনো ক্ষেত্রে একচোখা নীতি অনুসরণ করে চলেছে তার অন্যতম উদাহরণ হলো বান্দরবানের বম জনগোষ্ঠীর ওপর কালেকটিভ পানিশমেন্টের ঘটনা এখানে সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে বহু ব্যক্তি, এমনকি যাবজ্জীবন ও হত্যা মামলার আসামিরাও জেল থেকে খালাস পেয়ে বেরিয়ে গেছেন। কিন্তু আওয়ামী শাসনামলে আটক বম জনগোষ্ঠীর নিরীহ গ্রামবাসীরা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মামলা থেকে খালাস পাওয়া তো দূর অস্ত, তাদের জামিনও মঞ্জুর হয় না। এমন একচোখা স্বৈরাচারী আচরণ তো আমরা আওয়ামী শাসনামলে দেখেছিলাম। তাহলে কি আমাদের এটাই ধরে নিতে হবে যে, জুলাই অভ্যুত্থানের সুবিধা কেবল বিশেষ কতিপয় শ্রেণি ও দলের লোকদের কাছে কুক্ষিগত হয়ে আছে? অথচ জুলাইয়ের আন্দোলনে আদিবাসী শিক্ষার্থীরাও পথে ছিলেন, গুলিতে আহত হয়েছেন, পুলিশের লাঠিচার্জ খেয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের এপ্রিলে বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে কেএনএফ (কুকি-চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট) কর্তৃক সংঘটিত ব্যাংক ডাকাতির ঘটনার জেরে বম জাতিগোষ্ঠীর মানুষজনের ওপর ঢালাওভাবে নিপীড়নমূলক রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছিল। সন্ত্রাস দমনের নামে ব্যাংক ডাকাতির অভিযোগে সাধারণ নিরীহ গ্রামবাসীদের (নারী ও শিশুসহ) আটক করে বিনা বিচারে প্রায় ২০ মাস ধরে তারা কারাগারে বন্দি আছেন। ইতিমধ্যে কারাগারে আটকাবস্থায় প্রায় বিনা চিকিৎসায় দুজন এবং আরেকজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় জামিন মঞ্জুর করার পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে বান্দরবানে বাড়ি নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। বম জনগোষ্ঠীর মানুষের ওপর এ অমানবিক বিষয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের কাছে বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকার কর্মী ও সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে বারবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কোনো বিশেষ অদৃশ্য কারণে বম ইস্যুতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর বা ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। অগ্রগতি বলতে, ইতিমধ্যে শিশুসহ দুজন বম নারী কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আমরাও চাই, ব্যাংক ডাকাতির অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জনগোষ্ঠীর ওপর কালেকটিভ পানিশমেন্ট অবিলম্বে বন্ধ করা হোক এবং কারাগারে আটক নিরীহ বম গ্রামবাসীদের বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হোক। 

অতীতের মতো বর্তমান সময়েও যদি আদিবাসীদের বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত না হয়, তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচারহীনতার এ কালো সংস্কৃতি একদিন পুরো দেশকে গ্রাস করবে না– সেই নিশ্চয়তা কে দিতে পারবে! ইতিমধ্যে মব ভায়োলেন্সের দ্বারা পিটিয়ে ও পুড়িয়ে মানুষ মারা হলেও এ মবসন্ত্রাস দমনের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। কাজেই সরকারের এমন নিশ্চুপতাই একদিন সারাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ধীরে ধীরে গ্রাস করে ফেলবে।  

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গুম বা ক্রসফায়ারের আতঙ্ক নেই বটে। কিন্তু ‘মব’ আতঙ্ক মানুষের মনে আরেক ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পরে মবসন্ত্রাসের দ্বারা শতাধিক লোক প্রাণ হারিয়েছে বলে পত্রিকাসূত্রে জানা যায়। শুধু মানুষের জানমাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা-ই নয়, মব সৃষ্টি করে কতিপয় স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী মাজার, দরগাহ ভাঙচুর করেছে, আগুনে জ্বালিয়ে দিয়েছে। মেয়েদের ফুটবলে বাধা দান, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। কাজেই অতীতের মতোই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অব্যাহত আছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে সে কথা কোনোভাবে দাবি করা যায় না। 

নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ‘নির্বাচনী আঁতাতের’ মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছে, সেটা দিবালোকের মতো আমাদের সামনে পরিষ্কার হচ্ছে। নির্বাচনে কার জয়-পরাজয় হবে– সেটা যেন মুখ্য নয়, এখনই শুরু হয়ে গেছে জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা। সম্প্রতি দিপু দাস নামক এক হিন্দু যুবককে মব সৃষ্টি করে পিটিয়ে মেরে গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়। প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় এমন নৃশংসতা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধেও এ দেশের মানুষ দেখেনি। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটাই নাজুক পর্যায়ে পৌঁছেছে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সাধারণ মানুষকে পথে নেমে মিছিল করতে হচ্ছে। দেশ কোথায় পথ হারাচ্ছে– সেই ভাবনা এখন খেটে খাওয়া দিনমজুর, রিকশাওয়ালা, শ্রমিক থেকে শুরু করে প্রতিটি সাধারণ মানুষের, যাদের হৃদয়ে দেশমাতৃকার প্রতি দরদ রয়েছে। দেশকে স্বৈরাচারীর হাত থেকে মুক্ত করার প্রয়াসে আমরা যে স্বপ্ন বুনেছি, আজ বিশেষ স্বার্থান্বেষী শ্রেণি সেই স্বপ্নকে গুঁড়িয়ে দিয়ে নির্বাচনী আঁতাতের মাধ্যমে মৌলবাদকে প্রশ্রয় দেওয়ার পাঁয়তারায় লিপ্ত হয়েছে।      

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সারাদেশের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যেও উৎসাহ, উদ্দীপনা ও কৌতূহলের শেষ নেই। তবে নির্বাচন ঘিরে মানুষের মধ্যে আশঙ্কা, উদ্বেগও তীব্রভাবে কাজ করছে। জাতীয় পর্যায়ে যেমন নির্বাচনী মেরূকরণ শুরু হয়েছে, তেমনি পাহাড়েও নানান মেরূকরণ তৈরি হচ্ছে। কিন্তু নির্বাচনী ফল যা-ই হোক না কেন,  তিন পার্বত্য জেলায় ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে ওই এলাকার প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে। পাহাড়ে এমনসব এলাকা আছে যেখানে গাড়ি চলাচলের রাস্তা নেই, নাগরিক সুবিধা নেই, সুচিকিৎসা ও শিক্ষার সুযোগ নেই, কিন্তু তারা যুগ যুগ ধরে সেসব এলাকায় বসবাস করে আসছেন। যোগাযোগের দুর্গমতার কারণে সেসব এলাকার ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে অধিকাংশ সময় বঞ্চিত হন। এমনকি নির্বাচনে কারা কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সে সম্পর্কেও পুরোপুরি ওয়াকিবহাল থাকেন না। কাজেই এসব প্রত্যন্ত এলাকার সুষম উন্নয়ন ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের বঞ্চনার কথাও ভাবতে হবে সবার আগে। আমাদের দাবি, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে যেসব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে সেসব দলের নির্বাচনী ইশতেহারে সুবিধাবঞ্চিত এসব মানুষের জন্য সুস্পষ্ট অঙ্গীকার থাকতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রার্থীরা ও তাদের দল কী ভাবছে, সেটা যেমন পরিষ্কার হওয়া দরকার, তেমনি রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকারের ওপর নির্ভর করবে ভোটাররা কাকে নির্বাচিত করবে।  

তবে সবশেষে বলতে চাই, যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন পাহাড়ের বাসিন্দা হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও পাহাড়ি-বাঙালির মধ্যে সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনার জন্য নির্বাচিত সরকারকে অবশ্যই উদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে এবং পাহাড়ি-বাঙালি সকলকে আস্থার জায়গায় এনে একটি সুন্দর মসৃণ পথ তৈরি করতে হবে। 

পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাটি রাজনৈতিক এবং দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। তাই এ সমস্যাকে হালকাভাবে গ্রহণ করার কোনো অবকাশ নেই। পাহাড়ে স্থায়ী শান্তির জন্য কেবল নির্বাচিত সরকারই নয়, দলমত নির্বিশেষে সব রাজনৈতিক দল, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবিশেষকে এগিয়ে আসতে হবে। পাহাড়ের অন্যতম নিয়ামক শক্তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নিরাপত্তাবাহিনীকেও নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়ে পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। যে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সারাবিশ্বে শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে বিশ্বের দরবারে দেশের মুখ উজ্জ্বল করছে, তাদের দেশেই যদি অশান্তি বিরাজ করে সেই লজ্জা আর ব্যর্থতা শুধু সেই বাহিনীর নয়, এ লজ্জা আমাদের পুরো জাতির। 

জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা দীর্ঘদিনের ঘুণে ধরা সিস্টেমে পরিবর্তন আনতে চেয়েছিলাম। সেই পরিবর্তনের ডাকে দেশের আমজনতা সাড়া দিয়েছিল। কাজেই চব্বিশের জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়তে হবে। 
ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের আরও নমনীয়, ধৈর্যশীল ও উদার হতে হবে। সবার আগে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। নিজে বদলাব, দেশও আপনাআপনি বদলাবে। 
লেখক : মানবাধিকার কর্ম

আরও পড়ুন

×