ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

কালের যাত্রা ২০২৬

রাষ্ট্রীয় ভঙ্গুরতা ও অতিরাষ্ট্রিক প্রতিপক্ষ

রাজনীতি

রাষ্ট্রীয় ভঙ্গুরতা ও অতিরাষ্ট্রিক প্রতিপক্ষ
×

মাহ্‌বুব উল্লাহ্‌

মাহ্‌বুব উল্লাহ্‌

প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:১১ | আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ | ১১:৫৫

| প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থা খণ্ড-বিখণ্ড (Fractured) এবং ভঙ্গুর (Fragile) হয়ে পড়েছে। এর মূল কারণ সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন এবং তারও আগে ক্রমাগতভাবে সুশাসনের ঘাটতি। রাষ্ট্র ব্যবস্থা বলতে আমরা বুঝি সামরিক বাহিনী, পুলিশ বাহিনী, আমলাতন্ত্র, বিচার বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং কারাগার। এগুলোর প্রতিটি বিদ্যমান রাষ্ট্র ব্যবস্থার নিপীড়ন যন্ত্র। তবে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য রাষ্ট্রের এই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর ব্যবহার হতে হবে নিয়মানুগ ও পরিমিত। সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী আমলে সামরিক বাহিনীর কিছু ব্যক্তিকে ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখার জন্য গর্হিতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। সাংবিধানিক নিয়মানুযায়ী এমনটি হওয়ার কথা ছিল না। পুলিশ বাহিনীকে নিপীড়নের ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই বাহিনীতে দলীয়করণ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছে শাসক মহলের সংকীর্ণ স্বার্থে। এ কারণে আমরা লক্ষ্য করি, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর যারা প্রধান দায়িত্বে ছিলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। বিচার বিভাগ ফরাময়েশি রায় দিত। আমলাতন্ত্র দলীয়করণের ফলে চরমভাবে তার বৈধতা হারিয়েছে। এমনই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি খণ্ড-বিখণ্ড ও ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। একটি গ্লাসশিট ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলে তাকে জোড়া দেওয়া সম্ভব হয় না। এমন পরিস্থিতিতে গ্লাসশিটটি ফেরত পেতে হলে প্রয়োজন হয় কাচের টুকরোগুলোকে গলিয়ে নতুন একটি গ্লাসশিট তৈরি করা। বাংলাদেশের সামনে সেই কর্তব্যই হাজির হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কাজটি করার যোগ্যতা ও সদিচ্ছা বর্তমান শাসক মহলের নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় গণহত্যা ও গণপ্রতিবন্ধীকরণের ট্রমা। অভ্যুত্থানের ফলে পুলিশ বাহিনী থেকে শুরু করে আমলাতন্ত্রের অনেকে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তাব্যক্তি, এমনকি বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব পর্যন্ত পালিয়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একটি সুষ্ঠু প্রশাসন আশা করা যায় না। আবার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এমন সব সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটেছে, যেগুলো আমাদের খুব পরিচিত নয়। এর ফলে সমাজে নতুন বিন্যাস এবং নতুন মেরূকরণ সৃষ্ট হয়েছে। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো শক্তি বিদ্যমান রাষ্ট্রযন্ত্রের নেই। তাই আমরা দেখছি বাংলাদেশ যেন স্টেট অব নেচারে ফিরে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সমাজ হয়ে ওঠে ব্রুটিশ। এ কারণে আমরা লক্ষ্য করছি, আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা, প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করা, প্রচণ্ড ধরনের অসহিষ্ণুতা এবং নবলব্ধ স্বাধীনতার অপপ্রয়োগ। অবশ্য এগুলোর পেছনে বাংলাদেশের মঙ্গল যে অতিরাষ্ট্রিক (Extra State) শক্তি চায় না, তাদেরও ইন্ধন রয়েছে। ইন্ধন রয়েছে পতিত ফ্যাসিবাদীদের। 

এমন অবস্থায় শুধু বলতে ইচ্ছে করে, গান্ধীর মতো করে– ‘সব্কো সুমতি দে ভগবান’। জানি না, কবে আমাদের মধ্যে সুমতির সুবাতাস বইবে। 
রাজনীতি : নতুন বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে মানুষজন বলাবলি করছিল, নির্বাচন আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কিনা। কারণ সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর), সংস্কারের রকমফের এবং জুলাই সনদ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছিল। এগুলোকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলো মহাসমাবেশ করে যাচ্ছিল একের পর এক। রাজনীতির এই মেরূকরণে একদিকে ইসলামপন্থি দলগুলো একাট্টা হয়েছে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কিছু ছোটখাটো দল, যেগুলো ঠিক কঠোরভাবে ইসলামপন্থি নয়। অন্যদিকে বিএনপি তার কিছু ছোটখাটো মিত্র দল নিয়ে নির্বাচনী মোর্চা করেছে। দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনটি হবে ইসলামী ভাবাদর্শের দলগুলোর সম্মিলিত মোর্চার সঙ্গে তুলনামূলকভাবে ধর্মীয় ভারসাম্যে বিশ্বাসী বিএনপির মধ্যে। রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে বিএনপির কণ্ঠস্বর চাপা পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরায় দলটির সমর্থক ও সহানুভূতিশীলরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে। তারেক রহমানকে বরণ করার জন্য রাজধানীতে ২০ লাখ লোকের সমাবেশ ঘটেছে। এমনই এক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আগামী দিনে বিএনপির ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। বিদেশি মিডিয়া যখন তৃতীয় বিশ্বের কোনো দেশ সম্পর্কে এ রকম ভবিষ্যদ্বাণী করে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রেই তা বাস্তবে রূপ নেয়। এখন সব রাজনৈতিক দলই নির্বাচনের পক্ষে দাঁড়িয়ে গেছে। নির্বাচন ভন্ডুল করার একটি তৎপরতা অবশ্যই আছে। সেই তৎপরতা শুরু হয়েছে ভারতে নির্বাসিত আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের অপচেষ্টার মধ্য দিয়ে। ভারত মনে করছে নির্বাচনটি ‘ইনক্লুসিভ’ হতে হবে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগকে নিয়ে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতিতে অদূরভবিষ্যতে আওয়ামী লীগকে নিয়ে নির্বাচনের সম্ভাবনা সুদূরপরাহত। তবে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাবলির মধ্যে আমার দৃষ্টিতে আশান্বিত হওয়ার একটি বড় কারণ হলো, জাতীয় ঐক্য এখনও অটুট আছে। সেটা দেখা গেছে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজায় লাখ লাখ লোকের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে। এত বিশালসংখ্যক শোককাতর মানুষের সমাবেশে কোনো অশান্তির সৃষ্টি হয়নি। তারেক রহমানের গণসংবর্ধনা নিয়েও একই কথা বলা যায়। আমাদের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া দুটি ঘটনাকেই ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেছে। এ দুটি ঘটনা দেখে জাতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমি আশাবাদী হয়ে উঠেছি। তবে সংবাদপত্র অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা এই আশাবাদকে অনেকাংশেই ব্যাহত করেছে। এ ব্যাপারেও রাজনীতির মেইন স্ট্রিম থেকে যৌক্তিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত হয়েছে। সুতরাং সামগ্রিকভাবে সমসাময়িক রাজনীতি সাধারণভাবে যতটা সাংঘর্ষিক মনে হয়, ঠিক ততটা সাংঘর্ষিক নয়। তবে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের একটা দোলাচল তো রয়েছেই। বিএনপি মহাসচিবের মতে, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র জারি আছে। তবে নির্বাচনী প্রচারণার ঢেউ সৃষ্টি হলে এসব ষড়যন্ত্র শুকনো পাতার মতো ঝরে পড়বে। আমাদের দেশের অভিজ্ঞতা হলো, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের সময় জনগণকে যেসব প্রতিশ্রুতি দেয়, নির্বাচনের পর ক্ষমতায় গেলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেসব প্রতিশ্রুতির কথা তারা ভুলে যায়। এমনকি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের পক্ষে দুষ্ট যুক্তি হাজির করে। এসব মোটেই কাম্য নয়। আশা করব রক্তঝরা অভ্যুত্থানের ফসল হিসেবে যে নির্বাচন আসছে, সেই নির্বাচনে যারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, তারা যেন তাদের প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি ভুলে না যান। অন্যথায় জনগণ আরেকটি অভ্যুত্থান করে তাদেরকে ক্ষমতার মসনদ থেকে বিদায় জানাবে। 

অর্থনীতি : বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের পরিমাণ মোটামুটি সন্তোষজনক। এটা সম্ভব হয়েছে প্রবাসী রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে। মূল্যস্ফীতিও ৩-৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে নতুন করে বিনিয়োগ হচ্ছে না। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ না বাড়লে কর্মসংস্থানও বাড়বে না। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৩ থেকে ৪ শতাংশে নেমে এসেছে।  এর জন্য মূলত দায়ী অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট অস্থিরতা। অন্যদিকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হওয়ার ফলে পুঁজির সঞ্চয়ন নেমে গেছে। দেশ থেকে যা পাচার হয়েছে, তা অদূরভবিষ্যতে দেশে ফিরে আসবে এমনটি আশা করা যায় না। শেখ হাসিনার শাসনামলে কিছু অলিগার্ক (Oligarch) গোষ্ঠী তৈরি হয়েছিল, যারা অর্থনীতিকে রক্তশূন্য করে ফেলেছে। অলিগার্কমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দাঁড় করাতে না পারলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক ক্রান্তি ঘটানো সম্ভব নয়। এমনকি গণতন্ত্রও সম্ভব নয়। কিন্তু এসব অলিগার্ক এখন পর্যন্ত অনেকটাই অধরা থেকে গেছে। বর্তমানে কৃষি খাত অনেকটাই অবহেলিত। প্রতিবছর ১ শতাংশ করে জমি অকৃষি খাতে চলে যাচ্ছে। কৃষিতে কিছু নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। যেমন– উচ্চমূল্য ফসলের চাষ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে নানা রকম ফল এবং ব্রকলি ও ক্যাপসিকামের মতো সবজি। কৃষিতে লিজিং সিস্টেম ক্রমবর্ধনশীল। যন্ত্রের ব্যবহারও বাড়ছে। পরিস্থিতি এমন যে কৃষির পুঁজিবাদী রূপান্তর অত্যাসন্ন হয়ে উঠেছে। আধা সামন্তবাদী অবস্থার তুলনায় এই উত্তরণ অবশ্যই প্রগতিশীল। সুতরাং কৃষির প্রতি রাষ্ট্র ও ব্যক্তির অধিকতর মনোযোগের অবকাশ সৃষ্টি হয়েছে। আশা করব, আমরা যেন সুযোগটি হাতছাড়া না করি।  শেখ হাসিনার শাসনামলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত দলীয় সমর্থকদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে তুলনামূলকভাবে মেধাবীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে পারেননি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকশ অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে দলীয় ভোটার বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়টিকে রসাতলে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত জরাজীর্ণ। এই শিক্ষা ব্যবস্থার বহুমাত্রিক সংস্কার প্রয়োজন। শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে হলে প্রয়োজন যোগ্য শিক্ষক। একটি ভালো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান উপকরণ হলো জ্ঞানী ও যোগ্য শিক্ষক। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের ঘাটতি ভয়াবহ। সর্বোপরি শিক্ষার মানে ধস নামায় উত্তম শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ তৈরি হচ্ছে না। ফল হিসেবে একদিকে যেমন দলীয়করণের নীতি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধসিয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে শিক্ষার মানে অবনতি ঘটায় সত্যিকার শিক্ষিত মানুষও তৈরি হচ্ছে না। এমনই পরিস্থিতিতে আগামী ৫০ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো কঠিন হবে। জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষার জন্য ব্যয় করাটা প্রয়োজনীয় শর্ত, কিন্তু যথেষ্ট নয়। কারণ টাকা খরচ করে সব সময় ভালো লেখাপড়া জানা মানুষ তৈরি নাও হতে পারে। বর্তমানে শিক্ষার যে হাল, তাতে অতিরিক্ত বরাদ্দের অর্থ অযোগ্যদের লালন-পালনেই ব্যয়িত হবে। পরিস্থিতি এমন যে, শিক্ষায় অগ্রগতি ঘটানো এক কঠিন কাঠামোগত বাধার সম্মুখীন। এই কাঠামোগত বাধা দূর করতে প্রয়োজন উদ্ভাবনশীল উদ্যোগ। দৃষ্টান্ত হিসেবে দেশে বিদ্যমান পণ্ডিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন বিষয়ে পাঠদান টেলিভিশন ও রেডিওর মাধ্যমে প্রচার করা যেতে পারে। এতে অডিও ও ভিডিও দুয়েরই সম্মিলন থাকবে। রেডিও টেলিভিশনে এ রকম অনুষ্ঠান স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদানের মান অনেক উন্নত করবে। প্রয়োজনে বিদেশি পণ্ডিতদেরও এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট করা যায়। এ ছাড়া টেলিভিশন ও রেডিওতে শিক্ষার জন্য ডেডিকেটেড চ্যানেল তৈরি করার বিষয়টিও সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা যায়। কিন্তু তাতেও নিকট ভবিষ্যতে পরিস্থিতির উন্নতি আশা করা অনেকটাই অলীক কল্পনা হয়ে যাবে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে এ ধরনের উদ্যোগ অবশ্যই ফলপ্রসূ হবে। 
 

লেখক : শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক

আরও পড়ুন

×