গোসলের পানিতে এক চিমটি লবণ মেশালে মিলবে যেসব উপকারিতা
প্রতীকী ছবি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬ | ১১:৫২
প্রতিদিনের ক্লান্তি দূর করতে গোসলের জুড়ি নেই। তবে শুধু ক্লান্তি নয়, শরীর ব্যথা কিংবা মানসিক চাপ দূর করতেও গোসল হতে পারে ভালো উপসম। এজন্য অবশ্য গোসলের পানিতে মেশাতে হবে এক চিমটি লবণ। এমনটাই জানানো হয়েছে ‘টিভি নাইনে’র এক প্রতিবেদনে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারাদিন ল্যাপটপের সামনে বসে কাজ, কিংবা শহরের জীবনের দৈনন্দিন ধকল শেষে পেশিতে টান ধরা বা শরীর ম্যাজম্যাজ করা খুব পরিচিত একটা সমস্যা। বাড়িতে ফিরে হালকা গরম পানিতে যদি এক চিমটি লবণ বিশেষ করে যদি রক সল্ট বা এপসম সল্ট মিশিয়ে নিয়ে গোসল করা যায় তাহলে তা পেশির ক্লান্তি দূর করতে দারুণ কাজ করে। লবণে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও খনিজ উপাদান ত্বকের মাধ্যমে শরীরে শোষিত হয়ে পেশিকে নরম করে। এর ফলে মুহূর্তেই দূর হয় সব ক্লান্তি।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন ত্বকের ছিদ্রে ছিদ্রে জমে ওঠে ধুলোবালি আর টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ। লবণ পানি প্রাকৃতিকভাবেই একটি চমৎকার ‘ডিটক্সিফায়ার’হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের রোমকূপগুলো খুলে দেয় এবং শরীরের ভেতরের ক্ষতিকর টক্সিন বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীর ভেতর থেকে হালকা এবং সতেজ মনে হয়।
লবণ পানি খুব মৃদু এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। গোসলের সময় এই পানি ত্বকের উপরিভাগের মরা কোষ বা ডেড স্কিন সেলগুলোকে আলতো করে সরিয়ে দেয়। এর ফলে ত্বক হয়ে ওঠে নরম, মসৃণ এবং ভেতর থেকে উজ্জ্বল। যাদের পিঠে বা কাঁধে ব্রন বা র্যাশের সমস্যা রয়েছে, তারা গোসলে লবণ পানি ব্যবহারে ভালো উপকারিতা পাবেন। কারণ লবণে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ এই ধরনের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
বিভিন্ন ঋতুতে অনেকের শরীরে নানা রকম অ্যালার্জি, চুলকানি বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের সমস্যা দেখা দেয়। লবণে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক ত্বকের ছোটখাটো ইনফেকশন, র্যাশ বা চুলকানির অস্বস্তি কমাতে ভালো কাজ করে। ত্বককে রাখে সুরক্ষিত ও জীবাণুমুক্ত।
যাদের উদ্বেগ কিংবা মানসিক চাপের কারণে রাতে ঢ়ুমাতে সমস্যা হয় তারা গোসলের পানিতে লবণ মেশানো শুরু করুন। লবণ পানি শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয় এবং স্নায়ু শান্ত করতে সাহায্য করে। এই পানি দিয়ে গোসল করলে আপনার শরীরে এক ধরণের আরামদায়ক অনুভূতি এনে দেবে, যা মনকে শান্ত করবে এবং আপনার ঘুম ভালো হবে।
- বিষয় :
- গোসল
