শরীরের মেদ ঝরাতে ওটস খাওয়ার অভ্যাস বদলান
ছবি: সংগৃহীত
শৈলী ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬ | ১২:৩২ | আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬ | ১২:৩৫
শরীরের মেদ ঝরাতে, ক্লান্তি কমাতে অনেকেই প্রতিদিন ওটস খান। কিন্তু দিনের পর দিন চলে যায়, কাঙ্ক্ষিত ফল পান না। ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকারকে চিকিৎসক শুভম বৎস্য জানিয়েছেন, যারা নিয়মিত ওটস খেয়েও লাভবান হন না, তাদের ওটস খাওয়ার অভ্যাস বদলাতে হবে। অর্থাৎ রান্নার পরিবর্তে রাতভর ওটস ভিজিয়ে রেখে সকালে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
ওটসে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ। ফাইবার থাকায়, ওটস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে না। ফলে, একদিকে খাবারটি যেমন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, তেমনই হজমে সাহায্য করে, পেট পরিষ্কার রাখে। উচ্চ মাত্রায় ফাইবার থাকায়, ওটস খেলে পেট ভরে যায়। আর পেট ভরা থাকলে ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার ইচ্ছে তীব্র হয় না।
রাতভর ভিজিয়ে রাখা ওটস কী রান্না করা ওটসের চেয়ে স্বাস্থ্যকর?
রাতভর ওটস ভিজিয়ে রাখলে এতে ফাইটিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে যায়। ফাইটিক অ্যাসিড আয়রন, জিঙ্কের মতো খনিজ শোষণে বাধা দেয়। ফলে ভেজানো ওটস খেলে পু্ষ্টিগুণ পাওয়া যায়। দ্বিতীয়ত, এতে থাকা স্টার্চ ভেঙে যায়, ফলে খাবার হজমেও সহায়ক হয়। রান্না করা ওটসে ফাইটিক অ্যাসিড তুলনামূলক বেশি থাকে। তাই তা হজমে বাড়তি সময় লাগে। তাছাড়া, রাতভর ভেজানো ওটসে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলক কম থাকে। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স হল শর্করা মাপার সূচক। ফলে ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে দুধে বা পানিতে ভিজিয়ে রাখা ওটস খাওয়া তুলনামূলক ভালো। ওটসের সঙ্গে রকমারি বাদাম বা ফল যোগ করে খাওয়া ভালো। তবে মনে রাখা জরুরি, এটি সারা দিনের জন্য উপযুক্ত খাবার নয়। বরং দিনের বাকি সময় পরিমাণমতো প্রোটিন খাবার খাওয়া জরুরি। বাদাম ও বীজ খাদ্যতালিকায় রাখলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের চাহিদাপূরণ হবে।
- বিষয় :
- খাবার