ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

প্রকৃতির সান্নিধ্যে হাঁটলে কী কী উপকারিতা হয় 

প্রকৃতির সান্নিধ্যে হাঁটলে কী কী উপকারিতা হয় 
×

প্রতীকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬ | ১৩:৩৬

সুস্থ থাকতে নিয়মিত হাঁটার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের মতে,সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটলে হৃদরোগসহ একাধিক রোগের ঝুঁকি কমে। ৩০ মিনিট ১৫ মিনিট-যতটুকুই হাঁটুন না কেন,কোন জায়গায় হাঁটলে ভালো উপকার মেলে জানেন? চিকিৎসকদের মতে, ঘরের ভিতরে হাঁটাহাঁটি করার চেয়ে বাইরে খোলা হাওয়ায় হাঁটহাঁটি করা ভালো। সম্প্রতি গবেষণাতেও দেখা গেছে, প্রকৃতির মাঝে হাঁটলে দ্বিগুণ উপকার পাওয়া যায়।

‘ইকোফিজিয়োলজি’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, বাইরে খোলা হাওয়ায়, মাঠ বা পার্কে হাঁটলে হৃৎস্পন্দন ভালো হয়, শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি স্বাভাবিক থাকে, হজম ক্ষমতা উন্নত হয়। সেই সাথে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়। প্রকৃতির মাঝে হাঁটলে, শরীরচর্চা করলে কী কী উপকার মেলে তা জানানো হয়েছে ‘এই সময়ে’র এক প্রতিবেদনে-

মানসিক চাপ কমে
সবুজের মাঝে হাঁটলে, পাখির ডাক, বৃষ্টির শব্দ, পাতা ঝরার শব্দ, ঘাস-গাছপালার গন্ধ— এসব মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। ব্রিটেনে ২০ হাজার মানুষের উপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে ১২০ মিনিট বা ২ ঘণ্টা সবুজের মাঝে কাটান, তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্য অন্যদের তুলনায় ভালো। প্রকৃতির মাঝে হাঁটলে রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে যায়। এতে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমে। সেই সঙ্গে দুশ্চিন্তা ও মানসিক ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। অবসাদ থেকেও ধীরে ধীরে মুক্তি মেলে। অনেকের অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়।

হরমোনের ভারসাম্য স্বাভাবিক হয়
প্রকৃতির মাঝে সময় কাটালে আমাদের এন্ডোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিনের মতো হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এই হরমোনগুলোই মানসিক চাপের সময়ে নিঃসৃত হয় এবং ক্রনিক অসুখ ডেকে আনে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু ‘হিনোকি’(জাপানি সাইপ্রেস গাছ) তেলের সুগন্ধ শুঁকে অনেকের শরীরে অ্যাড্রেনালিন হরমোনের মাত্রা কমে গেছে। সেই সঙ্গে রক্তে ‘ন্যাচারাল কিলার সেল’-এর পরিমাণ বেড়েছে। যে কারণে প্রকৃতির মাঝে ছুটির দিনগুলো কাটালে ইমিউনিটি বাড়ে। সেই সঙ্গে মন-মেজাজ ভালো হয়ে যায়।

বাইরে হাঁটার নিয়ম
প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানোর ক্ষেত্রে সেরকম কোনো ধরাবাধা নিয়ম নেই। যখনই পার্ক বা মাঠে হাঁটবেন কিংবা প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাবেন, চেষ্টা করবেন প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার। মাথাভর্তি চিন্তা নিয়ে না হাঁটাই ভালো হাঁটার সময়ে চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার চেষ্টা করুন। গায়ে রোদ লাগান। যারা ব্যায়াম করেন তারা ভোরের রোদে দাঁড়িয়েই তা সেরে নিতে পারেন। এতে শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি-ও পাবে।

আরও পড়ুন

×