ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারে পাহাড়ি খাদ্য উৎসব

হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারে পাহাড়ি খাদ্য উৎসব
×

ছবি : হলিডে ইন ঢাকা সেন্টার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৫:২৮

বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী স্বাদ, সংস্কৃতি ও জীবনের গল্প রাজধানীবাসীর কাছে তুলে ধরতে হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারে চলছে ‘তিন পাহাড়ের গল্প—পাহাড়ি খাদ্য উৎসব ২০২৬’। ১৯ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সমৃদ্ধ রন্ধন ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত এই উৎসবটি কেবল একটি খাবারের আয়োজন নয়; বরং পাহাড়ের মানুষ, তাদের জীবনধারা, ঐতিহ্য, স্থানীয় উপকরণ এবং স্বতন্ত্র খাদ্যসংস্কৃতির এক বর্ণাঢ্য উদ্যাপন। ঢাকায় বসেই অতিথিদের প্রকৃত পাহাড়ি খাবারের স্বাদ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করানোই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
উৎসবের বিশেষ বুফেতে রয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী রান্নার পদ্ধতি ও স্থানীয় উপকরণে তৈরি নানা পদ। নির্বাচিত খাবারের মধ্যে রয়েছে পাহাড়ি চিকেন হেবাং, ব্যাম্বু চিকেন বিরিয়ানি, ব্যাম্বু শুট চিকেন, মাটন হেবাং, চিকেন মুন্ডি, চিংড়ি মুন্ডি, ডিম মুন্ডি, ঐতিহ্যবাহী লাকসু, পাহাড়ি মোমো, স্পাইসি চিকেনসহ পাহাড়ি নুডলস, পাহাড়ি পদ্ধতিতে তৈরি মাছের বিভিন্ন পদ, বিন্নি ভাত, মৌসুমি পাহাড়ি সবজি এবং বিন্নি চালের পায়েসসহ আরও অনেক বিশেষ খাবার। 
প্রতি ব্যক্তির জন্য বুফের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭,৯৯৯ টাকা নেট। এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে অতিথিরা বাংলাদেশের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় ও স্বতন্ত্র স্বাদের বিভিন্ন খাবার উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি উৎসবের বুফে উপভোগকারী অতিথিরা হোটেলের সুইমিং পুলে বিনামূল্যে প্রবেশের সুবিধা পাবেন, যা পুরো অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে। 
শুধু খাবারের টেবিলেই নয়, পুরো হোটেলজুড়ে পাহাড়ি আবহ তৈরি করতে থাকবে বিশেষভাবে সাজানো পাহাড়ি স্টল, যেখানে পাহাড়ি অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, সংস্কৃতি ও কারুশিল্পের নানা অনুষঙ্গ তুলে ধরা হবে। হোটেলের লবিতে স্থাপন করা হবে বিশেষ পাহাড়ি ঝরনা ও পাহাড়ের আদলে তৈরি নান্দনিক স্থাপনা, যা অতিথিদের প্রবেশের মুহূর্ত থেকেই পাহাড়ের আবহে স্বাগত জানাবে।
এ ছাড়া আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে থাকবে লাইভ মিউজিক এবং ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি নৃত্য পরিবেশনা। পাহাড়ের ছন্দ, রং ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে তুলে ধরে ‘তিন পাহাড়ের গল্প’কে একটি পরিপূর্ণ খাদ্য ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতায় রূপ দেওয়াই এই আয়োজনের লক্ষ্য। 
খাঁটি পাহাড়ি খাবার ও ঐতিহ্যবাহী স্টল থেকে শুরু করে লবির পাহাড়ি আবহের স্থাপনা, লাইভ মিউজিক ও বর্ণিল পাহাড়ি নৃত্য—উৎসবের প্রতিটি অনুষঙ্গই রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার লক্ষ্যে পরিকল্পনা করা হয়েছে। ফলে এটি শুধু একটি প্রচলিত বুফে আয়োজন নয়; বরং ঢাকা না ছেড়েই অতিথিদের পাহাড়ের দৃশ্য, সুর, স্বাদ ও সাংস্কৃতিক আবহ অনুভব করার একটি বিশেষ সুযোগ। 
 

আরও পড়ুন

×