পেশি মজবুত করতে খাদ্যতালিকায় রাখুন পটাশিয়ামযুক্ত ৭ খাবার
প্রতীকী ছবি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩:৩০
অনেকেই পেশি শক্তিশালী করতে নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। কেউ কেই নিয়ম করে জিমেও যান। তবে পেশি মজবুত করতে শুধু শরীরচর্চা বা জিমে যাওয়ই যথেষ্ট নয়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার যোগ করাও জরুরি। পটাশিয়াম কোষের ভেতরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ করতে সাহায্য করে। শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ কমে গেলে পেশির দুর্বলতা, ক্র্যাম্প বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ কারণে পেশি মজবুত করতে খাদ্যতালিকায় পটাশিয়ামযুক্ত খাবার করা প্রয়োজন। যেমন-
কলা
কলা পটাশিয়াম এবং কার্বোহাইড্রেটের দারুণ একটি উৎস। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। অন্যদিকে পটাশিয়াম পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখে। এ কারণে ওয়ার্কআউট শুরু করার আগে একটা কলা খেলে শরীরে ভরপুর শক্তি পাবে।
আলু
আলুতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। বিশেষ করে খোসাসহ আলু খেলে এর গুণাগুণ আরও বেড়ে যায়। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট ওয়ার্কআউটের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায় এবং ব্যায়ামের পর পেশির গ্লাইকোজেন স্টোর রিকভার করতে সাহায্য করে। ডিম, মাছ, মুরগির মাংস বা ডালের মতো প্রোটিন যুক্ত খাবারের সঙ্গে সেদ্ধ বা বেক করা আলু খেতে পারেন।
পালং শাক
পালং শাকে পটাশিয়ামের পাশাপাশি ফোলেট, ভিটামিন কে এবং অন্যান্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টির পরিমাণ বাড়াতে ডাল, সবজির তরকারি, স্যুপ বা অমলেটে পালং শাক মিশিয়ে নিতে পারেন। নিয়মিত ডায়েটে এই ধরনের শাকপাতা রাখলে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি মেটে।
ডাবের পানি
ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং তরল থাকে। ব্যায়ামের পর শরীরে পানির ঘাটতি মেটাতে এবং ক্লান্ত পেশিকে আরাম দিতে ডাবের পানি খুব ভাল কাজ করে।
ডাল
ডাল, রাজমা, ছোলা এবং অন্যান্য শস্যদানায় পটাশিয়াম,উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। যারা নিরামিষ খান, তাদের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি পেশি ঠিক রাখতে এই খাবারগুলো ভালো কাজ করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডাল, রাজমা বা ছোলার মতো খাবার রাখলে শরীর পর্যাপ্ত পটাশিয়াম ও প্রোটিন পায়।
অ্যাভোকাডো
অ্যাভোকাডোতে পটাশিয়াম, ফাইবার এবং আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। সালাদ, স্যান্ডউইচ বা অন্য যেকোনো সুষম খাবোরের সঙ্গে অ্যাভোকাডো খেতে পারেন।
টকদই
টক দইয়ে প্রোটিন এবং ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি পটাশিয়ামও থাকে। ব্যায়ামের পর ভারী খাবার বা স্ন্যাকস হিসেবে এটি খেতে পারেন। চিনি ছাড়া টক দইয়ের সঙ্গে ফল, ওটস বা বাদাম মিশিয়ে খেলে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির দারুন ভারসাম্য তৈরি হয়। সূত্র: এশিয়াননিউজ
- বিষয় :
- পালংশাক
- ডাল
- ডাবের পানি