নেপথ্যের কারিগর
শব্দের জাদুকর আরাফাত
আরাফাত কীর্তি
নন্দন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৭:৩৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
গান কিংবা লাইভ কনসার্টে শ্রোতার অভিজ্ঞতা অনেকটা নির্ভর করে শব্দ প্রকৌশলী বা সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারের ওপর। অথচ সংগীতের এই নেপথ্য কারিগরদের নিয়ে আলোচনা খুব কম হয়। আরাফাত কীর্তি তেমন একজন। মিউজিক প্রডিউসার, মিক্সিং ও মাস্টারিং ইঞ্জিনিয়ার এবং লাইভ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন তিনি। স্টুডিওভিত্তিক সংগীত প্রযোজনার মধ্য দিয়ে তাঁর পথচলা শুরু। অসংখ্য গান, অ্যালবাম ও মৌলিক সাউন্ডট্র্যাকে কাজ করেছেন। শিল্পীর নিজস্বতা, সংগীতের মাধুর্য ও বাদ্যযন্ত্রের স্বাভাবিক ধ্বনি অক্ষুণ্ন রেখে আধুনিক ডিজিটাল সাউন্ড নিশ্চিত করা তাঁর কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। পরে স্টুডিওর অভিজ্ঞতা নিয়ে লাইভ সাউন্ডের জগতে প্রবেশ করেন আরাফাত। তাঁর কাছে লাইভ সাউন্ড শুধু প্রযুক্তির বিষয় নয়, এটি তাৎক্ষণিক সৃজনশীলতারও শিল্প। প্রতিটি কণ্ঠ, বাদ্যযন্ত্র ও পরিবেশনার আবেগকে যথাযথভাবে শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেওয়া তাঁর লক্ষ্য।
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে আনন্দধারা আর্টস ও নন্দন আর্টসের বিভিন্ন আয়োজনে লাইভ সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার বা মঞ্চ শব্দ প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করছেন তিনি। লন্ডনে বাংলাদেশের ব্যান্ড সোলস ও চিরকুটের কনসার্টের পাশাপাশি শ্রীকান্ত আচার্য, অনুপ জালোটাসহ দক্ষিণ এশিয়ার খ্যাতিমান শিল্পীদের পরিবেশনাতেও কাজ করেছেন। আরাফাত কীর্তির কাছে প্রযুক্তিশিল্পীর ভাবনা ও শ্রোতার অনুভূতির মধ্যে একটি সেতুবন্ধ।
স্টুডিওর অভিজ্ঞতা ও লাইভ মঞ্চের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত–দুইয়ের সমন্বয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন নিজস্ব শব্দ-দর্শন। দক্ষিণ এশীয় সংগীতের স্বকীয়তা অক্ষুণ্ন রেখে আন্তর্জাতিক মানের সাউন্ড প্রোডাকশনের সঙ্গে সমন্বয়ের এই প্রচেষ্টা তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।
- বিষয় :
- বিনোদন