শিক্ষা ও কর্মসংস্থান
প্রকৌশল পেশায় স্নাতক ও ডিপ্লোমাধারীদের দাবি এবং কমিটির করণীয়
ড. মাহবুবুর রাজ্জাক
মাহবুবুর রাজ্জাক
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৫ | ১৯:৩০
গত ৩০ আগস্ট ২০২৫ তারিখের দৈনিক সমকালে আমার লেখা ‘স্নাতক প্রকৌশলী এবং ডিপ্লোমাধারীদের পদ ও কাজ সুনির্দিষ্ট হোক’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে চলমান সংকট নিরসনে কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছিল। আশা করি, সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষ সেসব বিবেচনা করবে। প্রকৌশল পেশায় স্নাতক ও ডিপ্লোমাধারীদের পেশাগত দাবিগুলোর যৌক্তিকতা পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে সম্প্রতি সরকার চারজন উপদেষ্টাসহ আট সদস্যের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করেছে। এ কমিটিকে সহায়তা প্রদানে প্রায় সব স্টেকহোল্ডারের সমন্বয়ে বড় আকারের একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ওয়ার্কিং গ্রুপও তৈরি করা হয়েছে। তারা কারিগরি খাতের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট সামনে রেখে সমাধান খোঁজার চেষ্টা করছে। বিবদমান দুই পক্ষই তাদের দাবির সমর্থনে যুক্তি পেশ করে চলেছে।
স্নাতক প্রকৌশলীদের ৩ দফা দাবি:
১। ইঞ্জিনিয়ারিং ৯ম গ্রেডে বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে প্রবেশের জন্য সবাইকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কোটার মাধ্যমে কোনো পদোন্নতি নয়, এমনকি অন্য নামে সমমান পদ তৈরি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না।
২। টেকনিক্যাল ১০ম গ্রেডে উপসহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ সবার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ ডিপ্লোমা ও বিএসসি উভয় ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।
৩। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি ছাড়া কেউ ইঞ্জিনিয়ার পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না– এই মর্মে আইন পাস করে গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ৭ দফা দাবি:
১। প্রকৌশল কর্মক্ষেত্র ডেস্ক ও ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিভাজন করে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের ডেস্ক ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নিয়োজিত করা এবং সরকারি প্রজ্ঞাপনের আলোকে ১০ম গ্রেড ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নির্ধারিত উপসহকারী প্রকৌশলী/সমমানের পদ সংরক্ষিত রাখা।
২। একমুখী প্রকৌশল শিক্ষা ব্যবস্থা চালুসহ মেধার অপচয় রোধে প্রকৌশলীদের পেশা পরিবর্তন রোধ ও প্রকৌশল সংস্থায় প্রশাসনিক পদে প্রশাসনিক ক্যাডারের জনবল নিয়োগ করা।
৩। উপসহকারী প্রকৌশলী/সমমানের পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী/সমমানের পদে পদোন্নতি ৫০%-এ উন্নীত করা।
৪। আন্তর্জাতিক ইঞ্জিনিয়ারিং টিম কনসেপ্ট অনুযায়ী সকল প্রকৌশল সংস্থার জনবল কাঠামোতে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ও দক্ষ জনবলের হার ১:৫:২৫ নির্ধারণ।
৫। পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট ও টিএসসিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ১:১২ অনুপাতে শিক্ষক নিয়োগ এবং ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কারিকুলাম ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরসহ আধুনিকায়ন।
৬। সকল প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সনদধারীদের ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিসহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি বৃদ্ধি করে অর্জিত ডিগ্রিকে বিএসসি (পাস)/সমমান ঘোষণা।
৭। কারিগরি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কর্তৃক উত্থাপিত ৬ দফা দাবি অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।
কারিগরি ছাত্রদের ৬ দফা দাবি:
এক. জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের অবৈধ পদোন্নতির রায় হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল করতে হবে। ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের পদবি পরিবর্তন, মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের চাকরিচ্যুত করতে হবে। ২০২১ সালে রাতের আঁধারে নিয়োগপ্রাপ্ত ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের নিয়োগ সম্পূর্ণ বাতিল এবং সেই বিতর্কিত নিয়োগবিধি অবিলম্বে সংশোধন করতে হবে।
দুই. ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে যে কোনো বয়সে ভর্তির সুযোগ বাতিল; উন্নত বিশ্বের আদলে চার বছর মেয়াদি মানসম্পন্ন কারিকুলাম চালু এবং একাডেমিক কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে ইংরেজি মাধ্যমে করতে হবে।
তিন. উপসহকারী প্রকৌশলী ও সমমান (১০ম গ্রেড) থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকা সত্ত্বেও যেসব সরকারি, রাষ্ট্রীয়, স্বায়ত্তশাসিত ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নিম্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
চার. কারিগরি সেক্টর পরিচালনায় পরিচালক, সহকারী পরিচালক, বোর্ড চেয়ারম্যান, উপসচিব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব পদে কারিগরি শিক্ষাবহির্ভূত জনবল নিয়োগ নিষিদ্ধ এবং তা আইনানুগভাবে নিশ্চিত করতে হবে। এসব পদে অনতিবিলম্বে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনবল নিয়োগ, সব শূন্য পদে দক্ষ শিক্ষক ও ল্যাব সহকারী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।
পাঁচ. স্বতন্ত্র ‘কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা’ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা ও ‘কারিগরি শিক্ষা সংস্কার কমিশন’ গঠন করতে হবে।
ছয়. পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগের লক্ষ্যে একটি উন্নতমানের টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পাশাপাশি নির্মাণাধীন চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (নড়াইল, নাটোর, খাগড়াছড়ি ও ঠাকুরগাঁও) পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য অস্থায়ী ক্যাম্পাস ও ডুয়েটের আওতাভুক্ত একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে আগামী সেশন থেকে শতভাগ সিটে ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
স্নাতক প্রকৌশলীদের ৩ দফা দাবির সবই পেশাসংশ্লিষ্ট। ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ৭ দফা ও কারিগরি ছাত্রদের ৬ দফার মধ্যে পেশাসংশ্লিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি রয়েছে।
পেশাগত দাবিগুলো পর্যালোচনা ও সম্ভাব্য সমাধানে এসব দাবি উত্থাপনের পেছনের কারণ:
- পদায়ন ও পদোন্নতিতে অনিয়ম, চলতি দায়িত্বে অনিয়ম, নতুন নিয়োগে অনিয়ম।
- ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য ১০ম গ্রেড সংরক্ষিত রাখা এবং প্রমোশনের মাধ্যমে ৯ম গ্রেডের কিছু পদে তাদের প্রমোশন দেওয়ায় স্নাতক প্রকৌশলীদের চাকরিতে যোগদানের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়া। এই সংরক্ষিত পদের সুবিধা প্রত্যাহার করা হলে ডিপ্লোমাদের চাকরিতে যোগদানের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়া।
- ২য় শ্রেণির ১১, ১২ গ্রেড এবং ৩য় শ্রেণির ১৩, ১৪, ১৫ গ্রেডে কারিগরি জনবল নিয়োগ বন্ধ রাখায় ১০ম গ্রেডে চাকরিতে বটলনেক তৈরি হওয়া এবং প্রমোশনের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া।
- প্রকৌশলী পদবির যথেচ্ছ ব্যবহার।
এসব সমস্যা নিরসনের উপায়:
১। প্রথমত ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ও স্নাতক প্রকৌশলীদের পদায়ন ও পদোন্নতিতে অনিয়ম নিরসন করা। বিধিবহির্ভূতভাবে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের যথাসম্ভব দ্রুত পূর্বতন পদে ফিরিয়ে নেওয়া।
২। ১০ম গ্রেডসহ সকল গ্রেডে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ও স্নাতক প্রকৌশলীদের প্রাপ্য পদ ও জব রেস্পন্সিবিলিটি নির্দিষ্ট এবং প্রমোশনের আলাদা ধারা সংরক্ষণ করা। কোনো ডিপ্লোমা প্রকৌশলীকে স্নাতক প্রকৌশলীদের সংরক্ষিত পদে স্থায়ী, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব বা চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা যাবে না। কোনো স্নাতক প্রকৌশলীকেও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সংরক্ষিত পদে স্থায়ী, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব বা চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা যাবে না।
৩। সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগের দীর্ঘ প্রক্রিয়া চলমান সংকট সৃষ্টির পেছনে একটি কারণ। সমাধানের উপায়– পিএসসির আদলে ‘প্রকৌশল ও কারিগরি সার্ভিস কমিশন’ গঠন। এ কমিশনের কাজ হবে:
- প্রকৌশল খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কার।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ভিত্তিতে ডিপ্লোমা ও স্নাতক প্রকৌশলীদের জন্য দুটি পৃথক পুল গঠন করা, যাতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত নিয়োগ করা যায়।
- ডিপ্লোমা ও স্নাতক প্রকৌশলীদের মান নিয়ন্ত্রণে পৃথক ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য প্রফেশনাল লাইসেন্সিং প্রবর্তন।
- প্রকৌশলী পদবি ব্যবহারের অধিকার আইনগতভাবে লাইসেন্সধারীদের জন্য সংরক্ষণ।
৪। বর্তমানে ১০ম গ্রেড শুধু ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য সংরক্ষিত। অন্য কেউ এ গ্রেডে আবেদন করতে পারে না। বিষয়টি আইনগতভাবে যুক্তিযুক্ত নয়। তাই ১০ম গ্রেড সবার জন্য উন্মুক্ত না রাখার কারণ নেই। অধিকন্তু ১১ থেকে ১৫তম গ্রেডে কারিগরি জনবল নিয়োগের বাধা দূর করে দিলে ১০ম গ্রেডের ওপর চাপ কমে আসবে এবং প্রমোশনের সুযোগ উন্মুক্ত হবে।
ওপরে প্রস্তাবিত সুপারিশমালা বাস্তবায়িত হলে স্নাতক প্রকৌশলীদের ১০ম গ্রেডে চাকরির প্রশ্নটি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে। এতে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিরিটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোটার হাত থেকে প্রকৌশল পেশাটি মুক্ত হবে।
কারিগরি শিক্ষাসংশ্লিষ্ট দাবিগুলো পর্যালোচনা ও সম্ভাব্য সমাধান: দাবিনামা উত্থাপনের কারণ:
- কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থায় অবহেলা। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোয় লোকবল সংকট, ল্যাব সংকট ও শিক্ষক সংকট।
- শিক্ষার মাধ্যম বাংলা হওয়ায় আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে চাকরিতে অসুবিধা।
- তাড়াতাড়ি চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে পড়াশোনা শেষে ভালো বেতনে কর্মসংস্থান না হওয়া।
সমস্যা নিরসনের উপায়:
১। কারিগরি ছাত্রদের পক্ষ থেকে শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি করার দাবি উঠেছে। ভালো হয় সিডনি অ্যাকর্ড বা ডাবলিন অ্যাকর্ডের আওতায় কারিকুলামকে ঢেলে সাজানো, যাতে বাংলাদেশের কারিগরি সনদ নিয়ে বিশ্বের যে কোনো শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ হয়।
২। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য আলাদা টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি উঠেছে। তবে এতে ডিপ্লোমা ও স্নাতক প্রকৌশলীদের মধ্যে মানসিক দূরত্ব ও শ্রেণিগত দ্বন্দ্ব বাড়বে। কারিগরি শিক্ষায় সিডনি অ্যাকর্ড বা ডাবলিন অ্যাকর্ড গ্রহণ করলে মূলধারার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড অনুযায়ী প্রবেশে বাধা থাকবে না।
৩। সরকার ২০৩০ ও ২০৪১ সালের মধ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় ছাত্র নিবন্ধনের হার যথাক্রমে ৩০ ও ৫০%-এ উন্নীত করতে চায়। অর্থাৎ কারিগরি ধারাই হবে শিক্ষার মূলধারা। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান ও কারিগরি দুটি ধারার সমন্বয়ে একটি ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ ধারা চালু করা দরকার।
৪। সরকার অনেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকটাই কারিগরি ছাত্রদের জন্য উন্মুক্ত। কারিগরি ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে এইচএসসি (ভোক) থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এবং এইচএসসি (ভোক) থেকে ডিপ্লোমা হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এ দুইটি ধারাকে উৎসাহিত করা দরকার।
ড. মাহবুবুর রাজ্জাক: অধ্যাপক, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, বুয়েট
[email protected]
- বিষয় :
- প্রকৌশলী
- কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
- ইঞ্জিনিয়ার
