দ্বিতীয় মেয়াদে জর্জিয়া স্টেট সিনেটর হওয়ার পথে শেখ রহমান
জর্জিয়া স্টেট সিনেটর পদে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পথে শেখ রহমান
নিউইয়র্ক প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২০ | ২২:৩০ | আপডেট: ১৮ জুন ২০২০ | ২৩:০৫
জর্জিয়া স্টেট সিনেটর পদে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পথে এগিয়ে রয়েছেন শেখ রহমান। ৯ জুন অনুষ্ঠিত ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন শেখ রহমান। আর ডেমোক্রেটিক অধ্যুষিত এই আসনে রিপাবলিকান পার্টির কোনো প্রার্থী না থাকায় আগামী ৩ নভেম্বরের মূল নির্বাচনে তার বিজয় এখনই নিশ্চিত হয়ে গেছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিপুরের মুক্তিযোদ্ধা বাবা নজিবুর রহমানের সন্তান শেখ রহমান চন্দন (৬০) ২০১৮ সালে জর্জিয়া স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হন। তার আগে কোনো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকার রাজনীতি এতো বড় সাফল্য পাননি।
জর্জিয়ার রাজধানী আটলান্টার বহু ভাষাভাষী অভিবাসীদের এলাকা গুনেট কাউন্টি নিয়ে গঠিত তার নির্বাচনী এলাকায় শেখ রহমান বিগত দুই বছর সিনেটর হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করায় তার জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে বলেই দ্বিতীয় মেয়াদে তার বিরুদ্ধে নিজ দল ও প্রতিপক্ষ দল থেকে কোনো প্রার্থীই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আসেনি।
এদিকে জর্জিয়া স্টেট ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নির্বাচিত কর্মকর্তা হিসেবে দুই বছর ধরে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ন্যাশনাল কমিটিতে (ডিএনসি) পার্টির নীতি নির্ধারণীতে ভূমিকা রেখে আসছেন এই বাংলাদেশি আমেরিকান। সেই কমিটির পুনর্নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শেখ রহমান। ২৭ জুন শনিবার এই নির্বাচনেও তার জয়ী হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তার আগে ডিএনসিতে কোনো বাংলাদেশি নির্বাচিত হননি।
৯ জুনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারিতে জর্জিয়ার কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট-৭ থেকে নাবিলা ইসলাম এবং শিক্ষাবিদ ড. রশিদ মালিকও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন। তরুণ প্রজন্মের নাবিলা পেয়েছেন ১৩% আর মালিক পেয়েছেন ১০% ভোট। এছাড়া, স্টেট সিনেটে ডিস্ট্রিক্ট-৪১ থেকে জাহাঙ্গির হোসেন পেয়েছেন ১৯% ভোট। ডিস্ট্রিক্ট-৪৮ এ জসিমউদ্দিন পেয়েছেন ২২% ভোট। এরা কেউই জয়ী হতে পারেননি।
এদিকে, পেনসিলভানিয়া স্টেট অডিটর জেনারেল পদে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে বাংলাদেশি বংশদ্ভূত ড. নীনা আহমেদ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ১২ হাজার ৩১ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন। গত ১৩ জুন শতভাগ ভোট গণনা শেষে পেনসিলভানিয়া ইলেকশন বোর্ড এ তথ্য জানায়। ৩ নভেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের দিনই এ পদের চূড়ান্ত ফল জানা যাবে। ডেমোক্রেট অধ্যুষিত এই স্টেটের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে রিপাবলিকান পার্টির একজন প্রার্থী থাকলেও ড. নীনার বিজয় শুধু সময়ের ব্যাপার।