ঢাকা শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাশিয়ার কারখানায় আগুনে বাংলাদেশির মৃত্যু বেড়ে ৪

রাশিয়ার কারখানায় আগুনে বাংলাদেশির মৃত্যু বেড়ে ৪
×

প্রতীকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:৫২ | আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৯:১১

| প্রিন্ট সংস্করণ

রাশিয়ায় গ্যাস কেমিক্যাল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম মাহিন উদ্দিন, বাড়ি নরসিংদী জেলায়। স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে ওই অগ্নিকাণ্ডে চার বাংলাদেশি প্রাণ হারালেন। মস্কোতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মিজানুর রহমানের বরাতে জানা গেছে এসব তথ্য।

গত ২৫ আগস্ট রাশিয়ার আমুর অঞ্চলের সভোবোদনি শহরের কাছে আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে (এজিসিসি) এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। প্রথমে এক বিবৃতিতে মোট সাতজনের মৃত্যুর খবর জানানো হলেও দ্রুত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫-তে গিয়ে ঠেকে। এরপর ২৭ আগস্ট এক বাংলাদেশির মৃত্যু ও আরেকজনের নিখোঁজ হওয়ার খবর জানা যায়। পরে তৃতীয় আরেকজনের মৃত্যুর খবর আসে।

ওই অগ্নিকাণ্ডে মোট ৩৬ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। বাকিদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে নিহতের বেশির ভাগই বিদেশি।  

গত ২৬ ও ২৭ আগস্ট মৃত্যু হওয়া দুই বাংলাদেশির নাম জাকির হোসেন ও মো. আলাল হোসেন রাজু। জাকির হোসেনের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এবং আলাল হোসেন রাজুর বাড়ি মেহেরপুরের গাংনীতে। তাদের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে দেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। 

অন্যদিকে আব্দুল কুদ্দুসের বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হুগলবাড়িয়ায়। তাঁর ও মাহিন উদ্দিনের মরদেহের সব প্রক্রিয়া সম্পন্নের কাজ চলছে। আরও ছয়-সাত দিন সময় লাগতে পারে কাজ শেষ হতে। এরপর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে মরদেহ দুটির।

১০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ওই গ্যাস-রাসায়নিক প্রকল্পটি মূলত রাশিয়ার পেট্রোকেমিক্যাল প্রতিষ্ঠান সিবুর ও চীনের রাষ্ট্র-মালিকানাধীন সিনোপেকের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছিল। বিশ্বের বৃহত্তম পলিমার উৎপাদন কেন্দ্র হওয়ার কথা ছিল এটির। আগামী বছরের শুরুর দিকে কাজ শুরু করার আগে চূড়ান্ত ধাপের পরীক্ষা চালানো হচ্ছিল। আর এ সময়েই ঘটে অগ্নিকাণ্ড। 

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, পাইরোলিসিস ইউনিটের সহায়ক অংশে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে কমপ্লেক্সের মূল যন্ত্রাংশগুলোর ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

আরও পড়ুন

×