ডেলয়েট টেকনোলজি ফাস্ট ৫০ তালিকায়
দুই তরুণের গড়া উদ্যোগ
ফান্ডেডনেক্সট-এর দুই উদ্যোক্তা সৈয়দ আবদুল্লাহ জায়েদ ও সৈয়দ আবদুল্লাহ গালিব ছবি : সংগ্রহ
আরমান খান
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬ | ০৭:২৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
ফান্ডেডনেক্সট, গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশি দুই উদ্যোক্তা সৈয়দ আবদুল্লাহ জায়েদ ও সৈয়দ আবদুল্লাহ গালিব। স্বপ্নবাজ এই দুই তরুণের গড়া প্রতিষ্ঠানটি মধ্যপ্রাচ্য ও সাইপ্রাস অঞ্চলের ‘ডেলয়েট টেকনোলজি ফাস্ট ৫০’ তালিকায় শীর্ষ ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের পুরস্কার অর্জন করেছে এবং সামগ্রিকভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। গত ২৯ জুন তাদের এই অর্জনের কথা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডেলয়েট।
২৪ দেশের ৫০০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে
বিশ্বের ‘বিগ ফোর’ প্রফেশনাল সার্ভিস ফার্মের একটি ডেলয়েটের এই র্যাঙ্কিং গত চার বছরের স্বাধীনভাবে নিরীক্ষিত আয়ের প্রবৃদ্ধির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। ফান্ডেডনেক্সট একই সঙ্গে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা বা ইএমইএ অঞ্চলের ২৪টি দেশের ৫০০টি দ্রুত বর্ধনশীল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ‘ডেলয়েট টেকনোলজি ফাস্ট ৫০০’ তালিকায় ১১তম স্থান অর্জন করেছে। এই অর্জনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ আবদুল্লাহ জায়েদ ও সৈয়দ আবদুল্লাহ গালিব প্রথম বাংলাদেশি উদ্যোক্তা হিসেবে এই বৈশ্বিক সম্মাননা পেলেন।
শুরু ও বর্তমান কর্মযজ্ঞ
অনেক স্বপ্ন নিয়ে স্বল্প পরিসরে ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত ফান্ডেডনেক্সট বর্তমানে ১৭০টিরও বেশি দেশে তাদের সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। নেক্সট ভেঞ্চারসের পোর্টফোলিওতে ‘এফএনমার্কেটস’ নামক একটি নিয়ন্ত্রিত ব্রোকারেজ হাউসও রয়েছে। প্রধান কার্যালয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে এবং মালয়েশিয়া, সাইপ্রাস ও শ্রীলঙ্কায় অপারেশনাল হাব থাকলেও বাংলাদেশ ব্যাক-অফিস হিসেবে কাজ করছে। ‘নেক্সট বাংলাদেশ লিমিটেড’ পাঁচ শতাধিক কর্মীর কর্মসংস্থান দিচ্ছে এবং দেশের আইটি খাতে বৈদেশিক রেমিট্যান্স অর্জনকারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।
আগামীর স্বপ্ন
এই অর্জন এবং আগামীর স্বপ্ন সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির সিইও সৈয়দ আবদুল্লাহ জায়েদ বলেন, ‘ডেলয়েট ফাস্ট ৫০-এ স্থান পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত বিশেষ এবং গর্বের। কারণ এই র্যাঙ্কিংয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ নেই; এটি পুরোপুরি চার বছরের স্বাধীনভাবে নিরীক্ষিত আয়ের প্রবৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের হাতে গড়া একটি প্রতিষ্ঠান আজ ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দ্রুত বর্ধনশীল প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর কাতারে সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে, যা আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। এই অনুপ্রেরণাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আগামীতে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে চাই। এই প্রতিষ্ঠানকেও দিতে চাই পরিপূর্ণ আন্তর্জাতিক রূপ!’
আমাদেরও বিশ্বাস, এমন তরুণদের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে লাল-সবুজের বাংলাদেশ!
- বিষয় :
- উদ্যোগ