ঢাকা রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কী করবেন?

সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কী করবেন?
×

যে কোনো সম্পর্ক সুন্দর করে তুলতে অন্যকে গুরুত্ব দিন এবং তাঁর কথা শুনুন মন দিয়ে ছবি : সাহস

মুসাফির পারভেজ

প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৭:৩২

| প্রিন্ট সংস্করণ

একের অধিক মানুষের সঙ্গে পরিচয়, কথা বলা, শেয়ারিং যখন রেগুলার হয় তখনই আমরা বলতে পারি তাদের মাঝে একটি সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। সেই সম্পর্ক হতে পারে প্রতিবেশী, ক্লাসফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড, স্বামী-স্ত্রী ইত্যাদি। শুরুতে সবার মাঝে একটি দেয়াল থাকে। স্বতঃস্ফূর্ততা, প্রাঞ্জলতা, কোমলতা, দরদ–এসব ব্যাপার যখন একটি সম্পর্কে থাকে তখন সেই সম্পর্কটা হয় সুন্দর এবং সাবলীল। বড় কথা হচ্ছে, স্বার্থহীন সম্পর্ক হচ্ছে প্রকৃত সম্পর্ক।
সম্পর্কের বোঝা: না, সম্পর্ক কখনও বোঝা হওয়া উচিত নয়। তার আগে বোঝাপড়া করে নেওয়া উচিত। আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে আপনি কখনও বোঝা মনে করবেন না। যদি করেন তাহলে সেই  সম্পর্কে না যাওয়াই শ্রেয়। প্রতিবেশী আপনার ফ্ল্যাটে এসে যদি সমস্যা করে তবে ব্যাপারটা না লুকিয়ে সত্য কথাটা যতটা সম্ভব ভদ্রভাবে বলার চেষ্টা করুন। ভালো হবে। 
সম্পর্কে আড়াল: হ্যাঁ, এটি অনেক বড় একটা ব্যাপার। সবসময় আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে সবকিছু নিয়ে একেবারে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। কোনোকিছু লুকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে। কারণ লুকানো ব্যাপার কখনও লুকানো থাকে না। যতদিন লুকিয়ে রাখবেন ততদিন নিজের ভেতরে অন্তর্দহনে ভুগবেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, যে বিষয় লুকিয়ে রাখতে হবে সেটি না করাই কী অধিকতর শ্রেয় নয়?
সুতরাং ভেবেচিন্তে কাজ করবেন। এমন কিছু করবেন না; যেন একটি সুন্দর সম্পর্কের মাঝে একটি আড়াল, একটি দেয়াল তৈরি হয়। পরস্পরের সঙ্গে শেয়ার করুন। 
সম্পর্কে হীনম্মন্যতা:  যার সঙ্গে নতুন সম্পর্কে যাবেন তাঁর আর আপনার স্ট্যাটাস যেন প্রায় সমান সমান হয়। অবশ্য সম্পর্কে যেহেতু স্বার্থপরতা থাকে না, সুতরাং আপনার এই হীনম্মন্যতায় না ভোগা বুদ্ধিমানের কাজ। 
শুরুটা যেভাবে:  কারও সঙ্গে পরিচিত হতে চাইলে আগে নিজের পরিচয়টা দেওয়া শোভনীয়। তবে নিজেকে হাইলাইটস বা প্রাধান্য দিয়ে আমি ‘অমুক-তমুক’ অত কিছু বলতে যাবেন না। শুধু নিজের নাম বলুন এবং কোথায় থাকেন, কী করেন দুটি বিষয় যোগ করতে পারেন। দ্রুত নয়, ধীরে ধীরে জানতে চেষ্টা করুন তাঁকে। এমন কিছু জিজ্ঞাসা করবেন না যাতে করে নতুন ব্যক্তিটি বিব্রত হয়ে পড়েন। আপনাকে যদি এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তবে এড়িয়ে না গিয়ে বলুন– আসুন আমরা এ ব্যাপারে অন্য একদিন আলাপ করি। যা বলবেন নিজের বিশ্বাস এবং নৈতিকতা ঠিক রেখে বলুন। অন্যকে খুশি করার জন্য যা-তা বলবেন না। 
পরিশেষে: কারও সঙ্গে একদিনের জন্য পরিচয় হলেও এমনভাবে কথা বলুন যেন আজীবন তিনি আপনাকে মনে রাখেন। আপনার গল্প অন্যকে বলতে যেন বাধ্য হন। আপনি চাইলে সেটি সম্ভব। নিজের ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলুন। তবে ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে ‘ভাব’ ধরবেন না। এটিও মনে রাখতে হবে, অতি সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট বলেও একটি কথা আছে! u

আরও পড়ুন

×