শান্তির বার্তা নিয়ে ঢাকা-জার্মানির যৌথ কবিতা সন্ধ্যা
অনুষ্ঠানে অতিথি ও আয়োজকেরা
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:৪৫
সাহিত্য, সংস্কৃতি, শান্তি ও মানবিক সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে বিশেষ কবিতা পাঠের আয়োজন ‘পিস অ্যান্ড এমপ্যাথি: জার্মান-বেঙ্গলি পোয়েটিক হারমনি’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির গোয়েথে-ইনস্টিটিটিউট মিলনায়তনে গোয়েথে-ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ ও ‘অতঃপর শব্দায়ন’ যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে আন্তর্জাতিক কবিতা প্ল্যাটফর্ম ‘লিরিক-লাইন’।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে গোয়েথে-ইনস্টিটিটিউট বাংলাদেশের ইনস্টিটিউট ডিরেক্টর ফ্র্যাঙ্ক ভের্নার বলেন, ‘বিশ্বের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবিক সহমর্মিতা ও শান্তি ছড়িয়ে দিতে কবিতার বিকল্প নেই। এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ দুই সংস্কৃতির মেলবন্ধন ও আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে।’
অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু, ঝর্ণা রহমান, শাহেদ কায়েস এবং অভিনেত্রী ও আবৃত্তিশিল্পী অপি করিম। জার্মানি থেকে অনলাইনে সরাসরি যুক্ত হয়ে কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন জার্মান কবি টিম হল্যান্ড, আনিয়া কাম্পমান এবং ওজান জাকারিয়া কেসকিনকিলিস।
জার্মান ও বাংলা সাহিত্যের পারস্পরিক সম্পর্ক ও অনুবাদ সাহিত্য নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করেন শিক্ষাবিদ ও নাট্যজন প্রফেসর ড. আবদুস সেলিম। এছাড়া প্রতিটি কবিতা পাঠের সঙ্গে লাইভ মিউজিক পরিচালনা করেন কবি ও সঙ্গীতশিল্পী শিবু কুমার শীল, সুত্রধর অর্জুন, মো. রাজিব ও আশিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব ছিলেন সাদাব হাশমি এবং মার্শিয়া শাওন।
অতঃপর শব্দায়নের চিফ ভিশনারি অফিসার যোবায়ের শাওন বলেন, ‘কবিতা মানুষের অনুভূতি প্রকাশ ও ভেদাভেদ মুছে ফেলার শক্তিশালী মাধ্যম। এই প্রয়াস জার্মান ও বাংলা সাহিত্যের সংযোগ ঘটিয়ে বৈশ্বিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে মুক্ত আলোচনা ও কবিতা পাঠের আয়োজন করা হয়। অতঃপর শব্দায়ন ও গোয়েথে-ইনস্টিটিটিউট বাংলাদেশের এই যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভাষাগত ও ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং বিশ্বশান্তি ও সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।