ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

রকমারির ৯ম বছরে পদার্পণ

রকমারির ৯ম বছরে পদার্পণ
×

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০২০ | ১০:২০ | আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২০ | ১০:৪২

বইপড়ুয়া মানুষরা নিজেদের মধ্যে আলাপে রকমারির প্রসঙ্গ তুলবে না, এমন ঘটনা কমই ঘটেছে। এখন রকমারির বয়স ৮ বছর।

আট বছর আগের এই দিনে, এই ১৯শে জানুয়ারি রকমারি যখন যাত্রা শুরু করেছিলো, তখন বাংলাদেশে কোন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ছিলো না। আর আজ জীবনধারণের জন্যে প্রয়োজনীয় সবকিছুই অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়। সেই দিক থেকে রকমারিকে বাংলাদেশের ই-কমার্স আন্দোলনের অগ্রদূত বলা যেতে পারে।

রকমারি যে শুধুমাত্র ই-কমার্স আন্দোলনের পথিকৃত, তা নয়। নতুন নতুন চিন্তা এবং উদ্যোগের সাথেও পরিচয় করিয়েছে রকমারি। বইয়ের মার্কেটিংকে নিয়ে গেছে  নতুন পর্যায়ে। রকমারির বই বিষয়ক ই-মেইলের অনেকগুলিই সাহিত্যমান সম্পন্ন। কখনও চিঠির আঙ্গিকে, কখনও গল্পের আঙ্গিকে, কখনও সংলাপের মাধ্যমে, কখনও বিভিন্ন চরিত্রে চিত্রিত ই-মেইলগুলি খুব কম মানুষই স্প্যাম ফোল্ডারে রাখতে চাইবেন! প্রতিযোগিতা নয় সহযোগিতা- এই নীতির অসাধারণ এক প্রদর্শন তারা দেখিয়েছে তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে অন্যান্য অনলাইন বুকশপগুলির নাম প্রচার করে। কখনও তারা লেখককে দিয়েই বই ডেলিভারির কাজ করিয়ে পাঠককে চমকে দেয়, কখনও রিভিউ উৎসবের মাধ্যমে পাঠাভ্যাসকে আরো পরিশীলিত করে।

রকমারিতে ভালো ভালো বই পাওয়া যায়, রকমারি মানুষের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করছে, এই চমৎকার লক্ষ্য এবং দর্শন তো আছেই, সাথে সাম্প্রতিক প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার, এবং সর্বোচ্চ পেশাদারীত্বের কারণেই রকমারি আজ ই-কমার্স জগতে এক অনন্য নাম।

১০০টি বই নিয়ে শুরু করা অনলাইন বুকশপটিতে আজ এন্ট্রি করা আছে ২ লক্ষাধিক বই! প্রতিদিন প্রায় ৪০০০ থেকে ৫০০০ পার্সেল পৌঁছে যাচ্ছে মানুষের কাছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আরও পড়ুন

×