খনার বচন
×
--
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২০ | ১২:০০
হ
ভাদ্রের চারি আশ্বিনের চারি। কলাই রোবে যত পারি।
অর্থাৎ, ভাদ্রের শেষ চার দিবস। আশ্বিনের প্রথমের চার সঙ্গে তার। এই অষ্ট দিন মধ্যে বুনিবে কলাই। প্রশস্ত সময় এই শুন সবে ভাই।
হ
পূর্ণ আষাঢ়ে দক্ষিণা বয়। সেই বৎসর বন্যা হয়
অর্থাৎ, সারা আষাঢ় মাস ধরে দক্ষিণা বাতাস বইলে সে বৎসর বন্যা হয়।
হ
সরিষা বনে কলাই মুগ। বুনে বেড়াও চাপড়ে বুক।
অর্থাৎ, এক ক্ষেত্রে সর্ষপ কলাই দিতে পারি। অথবা সর্ষপ মুগ যথা ইচ্ছা করি। উভয় ফসল একসঙ্গে পাওয়া যাবে। কেননা আনন্দে চাষা বুক বাজাইবে।
হ
আশ্বিনের উনিশ কার্তিকের উনিশ। বাদ দিয়ে মটর কলাই বুনিস
অর্থাৎ, আশ্বিন মাসের শেষ উনিশটি দিন। প্রথম কার্তিকে আর করি যত হীন। অবশিষ্ট দিনে কর মটর বপন। ফলিবে প্রচুর তবে কে করে বারণ।
হ
ফাগুনের আট, চৈত্রের আট। সেই তিন দায়ে কাট।
অর্থাৎ, ফাল্কগ্দুন মাসের শেষ আটটি দিন। চৈত্রের প্রথম আট- এই ষোড়শ। রোপণ করিবে তিল মিটিবে আশ। অন্যথায় হায় হায় করো বারো মাস।
হ
খনা বলে, চাষার পো। শরতের শেষে সরিষা রো।
অর্থাৎ, শরতের শেষ ভাগে সরষে বপন। মনে যেন থাকে ভাই খনার বচন। অপর ঋতুতে যদি বপন করিবে। ফসল উচিত মত তাতে না পাবে।
হ
সাত হাতে তিন বিঘেতে।
কলা লাগাবে মায় পুতে।
লাগিয়ে কলা না কাটো পাত।
তাতেই কাপড় তাতেই ভাত
অর্থাৎ, সাত সাত হাত অন্তরেতে এক এক। বুড়োগাছসহ একটাকে রেখে দেখ। তিন বিঘত পরিমাণ গর্ত হবে। তবে তো কলার গাছ ফল তার দিবে।
হ
বৈশাখের প্রথম জলে। অশু ধান দ্বিগুণ ফলে
খনা বলে, শুন ভাই, তুলায় তুলা অধিক পাই
অর্থাৎ, প্রথম বৈশাখে যদি বৃষ্টি ভালো হয়। প্রচুর আউস ধান্য জন্মিবে নিশ্চয়। কার্তিকেতে হইলে বৃষ্টি তুলা ভালো হবে।
হ
মাছের জলে লাউ বাড়ে
ধেনো জমিতে ঝাল বাড়ে
অর্থাৎ, লাউগাছে মাছ ধোয়া জল উপকারী। ঝালগাছে ধান পচা উপকারী ভারি।
হ
পান পোঁতে শ্রাবণে। খেয়ে না ফুরোয় রাবণে
অর্থাৎ, রোপিলে শ্রাবণে পান, এত পান ধরে। রাক্ষসে খেয়েও নাহি ফুরাইতে পারে।
হ
পটোল বুনলে ফাগুনে। ফল বাড়ে দ্বিগুণে
অর্থাৎ, ফাগুনে কর যদি পটোল রোপণ। দ্বিগুণ পাইবে ফল মিথ্যা না বচন
হ
বৈশাখ জ্যৈষ্ঠেতে হলুদ রোও।
দাবা খেলা ফেলিয়া থোও
আষাঢ় শ্রাবণে নিড়ায়ে মাটি।
ভাদ্ররে নিড়ায়ে করহ খাঁটি
অন্যথায় এর পুঁতলে হলদি।
পৃথিবী বলেন, তাতে কি ফলদি
অর্থাৎ, বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে হরিদ্রা রোপিলে। আষাঢ় শ্রাবণ ভাদ্রে নিড়াইয়া দিলে। প্রচুর হরিদ্রা তথা সময়ে পাইবে। অন্যথায় সুফল কিছুতেই নাহি হবে।
ভাদ্রের চারি আশ্বিনের চারি। কলাই রোবে যত পারি।
অর্থাৎ, ভাদ্রের শেষ চার দিবস। আশ্বিনের প্রথমের চার সঙ্গে তার। এই অষ্ট দিন মধ্যে বুনিবে কলাই। প্রশস্ত সময় এই শুন সবে ভাই।
হ
পূর্ণ আষাঢ়ে দক্ষিণা বয়। সেই বৎসর বন্যা হয়
অর্থাৎ, সারা আষাঢ় মাস ধরে দক্ষিণা বাতাস বইলে সে বৎসর বন্যা হয়।
হ
সরিষা বনে কলাই মুগ। বুনে বেড়াও চাপড়ে বুক।
অর্থাৎ, এক ক্ষেত্রে সর্ষপ কলাই দিতে পারি। অথবা সর্ষপ মুগ যথা ইচ্ছা করি। উভয় ফসল একসঙ্গে পাওয়া যাবে। কেননা আনন্দে চাষা বুক বাজাইবে।
হ
আশ্বিনের উনিশ কার্তিকের উনিশ। বাদ দিয়ে মটর কলাই বুনিস
অর্থাৎ, আশ্বিন মাসের শেষ উনিশটি দিন। প্রথম কার্তিকে আর করি যত হীন। অবশিষ্ট দিনে কর মটর বপন। ফলিবে প্রচুর তবে কে করে বারণ।
হ
ফাগুনের আট, চৈত্রের আট। সেই তিন দায়ে কাট।
অর্থাৎ, ফাল্কগ্দুন মাসের শেষ আটটি দিন। চৈত্রের প্রথম আট- এই ষোড়শ। রোপণ করিবে তিল মিটিবে আশ। অন্যথায় হায় হায় করো বারো মাস।
হ
খনা বলে, চাষার পো। শরতের শেষে সরিষা রো।
অর্থাৎ, শরতের শেষ ভাগে সরষে বপন। মনে যেন থাকে ভাই খনার বচন। অপর ঋতুতে যদি বপন করিবে। ফসল উচিত মত তাতে না পাবে।
হ
সাত হাতে তিন বিঘেতে।
কলা লাগাবে মায় পুতে।
লাগিয়ে কলা না কাটো পাত।
তাতেই কাপড় তাতেই ভাত
অর্থাৎ, সাত সাত হাত অন্তরেতে এক এক। বুড়োগাছসহ একটাকে রেখে দেখ। তিন বিঘত পরিমাণ গর্ত হবে। তবে তো কলার গাছ ফল তার দিবে।
হ
বৈশাখের প্রথম জলে। অশু ধান দ্বিগুণ ফলে
খনা বলে, শুন ভাই, তুলায় তুলা অধিক পাই
অর্থাৎ, প্রথম বৈশাখে যদি বৃষ্টি ভালো হয়। প্রচুর আউস ধান্য জন্মিবে নিশ্চয়। কার্তিকেতে হইলে বৃষ্টি তুলা ভালো হবে।
হ
মাছের জলে লাউ বাড়ে
ধেনো জমিতে ঝাল বাড়ে
অর্থাৎ, লাউগাছে মাছ ধোয়া জল উপকারী। ঝালগাছে ধান পচা উপকারী ভারি।
হ
পান পোঁতে শ্রাবণে। খেয়ে না ফুরোয় রাবণে
অর্থাৎ, রোপিলে শ্রাবণে পান, এত পান ধরে। রাক্ষসে খেয়েও নাহি ফুরাইতে পারে।
হ
পটোল বুনলে ফাগুনে। ফল বাড়ে দ্বিগুণে
অর্থাৎ, ফাগুনে কর যদি পটোল রোপণ। দ্বিগুণ পাইবে ফল মিথ্যা না বচন
হ
বৈশাখ জ্যৈষ্ঠেতে হলুদ রোও।
দাবা খেলা ফেলিয়া থোও
আষাঢ় শ্রাবণে নিড়ায়ে মাটি।
ভাদ্ররে নিড়ায়ে করহ খাঁটি
অন্যথায় এর পুঁতলে হলদি।
পৃথিবী বলেন, তাতে কি ফলদি
অর্থাৎ, বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে হরিদ্রা রোপিলে। আষাঢ় শ্রাবণ ভাদ্রে নিড়াইয়া দিলে। প্রচুর হরিদ্রা তথা সময়ে পাইবে। অন্যথায় সুফল কিছুতেই নাহি হবে।
- বিষয় :
- খনার বচন
