অজুহাতের পথও রাখলেন না হাফিজরা
ছবি: এএফপি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২০ | ০৭:০৬ | আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২০ | ০৭:৫১
পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের মিল অনেক। অমিল কেবল দু'এক জায়গায়। দুই ম্যাচেই টস জিতে ব্যাটিং করেছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং করেছে একই ছন্দে এবং গতিতে।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ করে ১৪১ রান। দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র পাঁচ রান কম। পার্থক্য হলো প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা করে শেষ ওভারে হেরেছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে স্রেফ উড়ে গেল পাকিস্তানের কাছে।
এতেই সুর বদলেছে বাংলাদেশ অধিনায়কের। পাকিস্তানের দুই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ১৩১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে বাংলাদেশের আফসোস-আক্ষেপের সঙ্গে অজুহাত দেওয়ার পথও বন্ধ করে দিয়েছেন। প্রথম ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক উইকেট স্লো, পুরনো বল ব্যাটে আসছিল না। আর অল্প কটা রান হলে, ফিল্ডিংটা ভালো হলে...ইত্যাদি কথা বলে যান।
দ্বিতীয় ম্যাচেও একই গতিতে ব্যাট করে বাংলাদেশ। কিন্তু পাকিস্তানের দুই ব্যাটসম্যান বাবর আযম এবং মোহাম্মদ হাফিজ বুঝিয়ে দিয়েছেন সেট হয়ে খেললে উইকেট স্লো হলেও রান করা যায়। স্ট্রাইক রোটেড করে করলে, অ্যাংকরিং রোলটা বুঝা-পড়া করে নিলে রান তোলা এমন কঠিন কিছু নয়।
আর সিরিজটা যেহেতু টি-২০ কিছু ঝুঁকি ব্যাটসম্যানকে নিতেই হয়। পাকিস্তানের দুই সেট ব্যাটসম্যান অবশ্য ঝুঁকি খুব বেশি নেননি। বরং শট খেলার সঙ্গে ডাবল-সিঙ্গেল করেছেন তারা। বাবর আযম ৪৪ বলে ৬৬ রান করেছেন। তামিমের সমান সাতটি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা মেরেছেন। বাকি ৩২ রান তিনি নিয়েছেন ডাবল-সিঙ্গেল থেকে। হাফিজের ব্যাটিংও ছিল ইতিবাচক।
বাংলাদেশ সেখানে ডটের মিছিল থেকে বের হতে পারেনি। পুরো ম্যাচে ডট দিয়েছে ৪৭টি। আগের ম্যাচের থেকেও যা দুটি বেশি। যে উইকেটে পাকিস্তান ঝড়ের বেগে রান তুলেছে সেই উইকেটে মাহমুদুল্লাহরা পাকিস্তানী পেসারদের সামনে ধুঁকেছেন।
শাহিন শাহ আফ্রিদি-হাসনাইনদের বল থেকে রান বের করতে হাঁসফাঁস করেছেন তামিম-মাহমুদুল্লাহরা। লিটন দাসের কাছে শাদাব খান এ ম্যাচেও যেন ছিলেন ধাঁধাঁর নাম। আফিফও ক্রিজে এসে রান বের করতে পারেননি। বরং তামিমের সঙ্গে ধীরে রান তোলার লড়াইয়ে নামেন। শেষ ম্যাচে অবশ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন অধিনায়ক। দেখার পালা কার্যকর পরিবর্তন হয় কি-না।
