ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

কথা রেখেছেন মন্ত্রীর ছেলে সীমান্ত

কথা রেখেছেন মন্ত্রীর ছেলে সীমান্ত
×

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬ | ১৪:৫৩

রাজশাহী বিভাগ থেকে নির্বাচিত মীর শকরুল আলম সীমান্ত সমালোচনার মুখে বিসিবির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন আগেই। ততক্ষণে রাজশাহী বিভাগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন তিনি। বাকি ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতার। গত রোববার বিসিবির নির্বাচন শেষে প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর প্রতিশ্রুতি মতো গতকাল পদত্যাগও করেন বগুড়া থেকে নির্বাচিত এমপি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ছেলে সীমান্ত। নির্বাচিত হওয়ার এক দিন না যেতেই বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। বিসিবি থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে ব্যবসায়িক ব্যস্ততার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

কিছুদিন আগেও ক্রিকেট সংগঠক হওয়ার প্রতিযোগিতা লেগেছিল এমপি, মন্ত্রীর ছেলে, ভাই, ভাতিজাদের। ২৫ জন পরিচালকের সিংহভাগই বিএনপির রাজনৈতিক পরিবার থেকে আসা। ক্রিকেটের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাদের থেকে অন্তত একজন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া সাধুবাদ পাওয়ার মতোই। এখন রাজশাহী থেকে প্রকৃত ক্রিকেট সংগঠক নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ করে দিলে সৃষ্টি হবে দৃষ্টান্ত। 

এ ব্যাপারে বিসিবির নবনির্বাচিত সভাপতি তামিম ইকবালের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘পদত্যাগের সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিলেন তিনি। প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে তাঁকে। কারণ আগে চাইলেও পদত্যাগ করার মতো কেউ ছিল না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় নির্বাচিত বোর্ডের কাছেই পদত্যাগ করতে হতো তাঁকে। সে প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আজ পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।’ 

আজ বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সীমান্তের পদত্যাগ গ্রহণ করা হতে পারে। তামিম জানান রাজশাহী বিভাগ থেকে নতুন পরিচালকের জন্য উপনির্বাচন হবে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী। এ ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপার রয়েছে। সময়-সুযোগ বুঝে বিসিবি নির্বাচনের আয়োজন করলেও রাজশাহী বিভাগের বিদ্যমান কাউন্সিলররা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। নতুন করে কাউন্সিলর নেওয়ার সুযোগ নেই।

সীমান্ত পরিচালক পদ ছাড়লেও কাউন্সিলর থাকছেন। তিনি পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, বিসিবি নির্বাচনে রাজশাহী অঞ্চল থেকে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। তবে তাঁর বাবা সরকারের প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় বর্তমানে পারিবারিক ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তাঁর ওপর ন্যস্ত রয়েছে। এ কারণে বিসিবির মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পরিচালকের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হবে না।

এই একজন পরিচালক ছাড়া এমপি, মন্ত্রীর অন্য ছেলেরা ক্রিকেটের সঙ্গে থাকার ব্যাপারে অটল রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে বিভাগ থেকে নির্বাচিত পরিচালকদের কোনো সমালোচনা স্পর্শ করেনি। ঢাকার ক্লাব ক্যাটেগরি থেকে বর্তমান ও সাবেক যে এমপির ছেলেরা নির্বাচিত হয়েছেন, তারা বেক্সিমকো গ্রুপ ও ইসমাইল হায়দার মল্লিকের ক্লাব থেকে নির্বাচিত। 

আরও পড়ুন

×