এগিয়ে গিয়েও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারল না মিসর
এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় মিসরকে। ছবি: এএফপি
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬ | ০৩:১২
বিশ্বকাপে এর আগে কখনোই মুখোমুখি হয়নি দুদল। তবে প্রীতি ম্যাচে যে চারবার একে অন্যের বিপরীতে খেলেছে, তাতে জয়ের পাল্লা মিসরের দিকে হেলে ছিল। বেলজিয়ামের এক জয়ের বিপরীতে মিসরের জয় তিন ম্যাচে। সেসব তো প্রীতি ম্যাচের কথা।
বিশ্বকাপের মঞ্চে দুদলে প্রথম মুখোমুখি দেখায় জয় পায়নি কোনো দল। প্রথমার্ধে ইমাম আশুরের গোলে মিসর এগিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে মোহামেদ হানির আত্মঘাতী গোলে ম্যাচটি শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়।
ম্যাচে বলের দখল থেকে শুরু করে আক্রমণ- দুদলই প্রায় সমানে সমান লড়েছে। আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের মধ্যেই ম্যাচের ১৯ মিনিটে মোহামেদ সালাহর অ্যাসিস্টে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া আশুরের বুলেট গতির জোরালো শটে এগিয়ে যায় মিসর।
বক্সের বাইরে অনেকটা ফাঁকায় থাকা আশুর যে ওত দূর থেকে আচমকা শট নিতে পারেন, সেটা বোধহয় ভাবতেও পারেননি বেলজিয়াম গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া। আশুরের নেওয়া শট ঠেকাতে কোর্তোয়া ঝাঁপিয়েছিলেন বটে, সেটা অনেক দেরিতে।
আশুরের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া বেলজিয়াম আক্রমণের ধার অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। প্রতিআক্রমণে মিসরও কম যায়নি। দুদল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিলেও প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই গতিতে খেলতে থাকে বেলজিয়াম। ৫৬ মিনিটে দুই বদলের পর ৬৬ মিনিটে রোমেরো লুকাকুকে মাঠে নামান বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া। মাঠে নেমে প্রথম মিনিটেই বেলজিয়ামের সমতাসূচক গোলে অবদান রাখেন ন্যাপোলিতে খেলা ৩৩ বছর বয়সী এ স্ট্রাইকার।
নিজেদের অর্ধ থেকে ডানপ্রান্ত ধরে দারুণ একটি পাস দিয়েছিলেন ইউরি টিলেমান্স। সেটি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সের ভেতর লুকাকুকে উদ্দেশ্য করে পাস দেন থমাস থমাস মুনিয়ের। সেই পাসের সুযোগ কাজে লাগাতে দারুণ ক্ষিপ্রতায় বক্সে ঢুকে পড়েন লুকাকু। এতে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন মিসরের দুই ডিফেন্ডার ইব্রাহিম ও মোহামেদ। শেষ পর্যন্ত সেই বিভ্রান্তিই কাল হয়ে দাঁড়ায় মিসরের জন্য। হানির পায়ে বল লেগে আশ্রয় নেয় মিসরের জালেই। স্কোরলাইন তখন ১-১।
মিসরের আত্মঘাতী এই গোলের কিছু সময় আগে আরও একটি গোলের সুযোগ পেয়েছিল বেলজিয়াম। তবে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া কেভিন ডি ব্রুইনার ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে বেরিয়ে যায়। শেষ দিকে ব্রুইনার আরও একটি দারুণ প্রচেষ্টা রুখে দেন মিসর গোলকিপার।
শেষ দিকে দুদলই বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও কাজের কাজ গোল আদায় করতে পারেনি। এতে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দুদলকে।
- বিষয় :
- খেলা
- ফুটবল
- বিশ্বকাপ ফুটবল
