ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

ফাইনালে ইয়ামালকে ছাড় দিতে নারাজ মেসি

ফাইনালে ইয়ামালকে ছাড় দিতে নারাজ মেসি
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬ | ১৮:২৬ | আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬ | ১৮:৪০

২০০৭ সালের ডিসেম্বর। বার্সেলোনার একটি চ্যারিটি ফটোশুটে পাঁচ মাস বয়সী এক শিশুকে কোলে নিয়ে গোসল করাচ্ছেন তরুণ লিওনেল মেসি। সেই ছবিটি তখন ছিল নিছক একটি প্রচারণার অংশ। কিন্তু প্রায় দুই দশক পর সেটিই ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ছবিগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। কারণ, সেই শিশুই আজ স্পেনের নতুন বিস্ময় লামিনে ইয়ামাল। আর ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছেন এই দুই প্রজন্মের দুই তারকা।

১৮ বছর আগের সেই স্মৃতি মনে করে মেসি বলেন, ‘ছবিটা সত্যিই পাগলাটে। জীবন এমনই। সে যখন শিশু ছিল, তখন আমি তার সঙ্গে ছবি তুলেছিলাম। আর আজ আমরা দুজনেই বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি।’

বার্সেলোনার সাবেক এই অধিনায়ক ইয়ামালের প্রতিভায় মুগ্ধ। তার বিশ্বাস, অল্প বয়সেই বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারে পরিণত হয়েছেন স্পেনের এই উইঙ্গার। মেসি বলেন, ‘লামিন অসাধারণ প্রতিভাবান। আমি তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি, কারণ সে আমার ভালোবাসার ক্লাবে খেলে। আমি সবসময় তার মঙ্গল কামনা করি এবং চাই সে আরও উন্নতি করুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিঃসন্দেহে সে এখন বিশ্বের সেরাদের একজন। তার জন্য যা ভালো, তা বার্সেলোনার জন্যও ভালো।’

তবে মাঠের লড়াই আর ব্যক্তিগত অনুভূতি যে এক নয়, সেটিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ইয়ামালের প্রতি শুভকামনা থাকলেও বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নন তিনি। মেসির ভাষায়, ‘তার সামনে ঐতিহাসিক কিছু অর্জনের দারুণ সুযোগ এসেছে। কিন্তু এবার যাতে সেটা না হয়, তা নিশ্চিত করতে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

মেসি ও ইয়ামালের এই দ্বৈরথকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বিরল ঘটনাও বলা হচ্ছে। পরিসংখ্যানবিদদের একটি হিসাব অনুযায়ী, ২০০৭ সালের সেই চ্যারিটি ফটোশুটের শিশু এবং তাকে কোলে নেওয়া ফুটবলারের প্রায় দুই দশক পর বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রতিপক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কোটিতে এক ভাগ।

রোববার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে তাই শুধু দুটি দলের লড়াই নয়, মুখোমুখি হবে দুই প্রজন্মও। একদিকে বিশ্ব ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি লিওনেল মেসি, অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের সবচেয়ে আলোচিত প্রতিভা লামিনে ইয়ামাল।

আরও পড়ুন

×