ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

প্রতিভা অন্বেষণ করবেন সুজন

প্রতিভা অন্বেষণ করবেন সুজন
×

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬ | ১২:৪৪

বয়সভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের খেলা নিয়ে কে কবে ভেবেছে জানা নেই। দূরশিক্ষণের মতো মিরপুর থেকে পরিচালনা করা হয়েছে টুর্নামেন্টগুলো। জেলা ও বিভাগীয় কোচদের বাছাই করা ক্রিকেটারদের থেকে গড়া হতো বয়সভিত্তিক দল। এই প্রক্রিয়া থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট থেকে প্রতিভাবান ক্রিকেটার তুলে আনার জন্য জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজনকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পরামর্শক হিসেবে। বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানান, বিসিবির চাকরিতে কাজ শুরু করে দিয়েছেন সুজন। অনূর্ধ্ব-১৪ থেকে অনূর্ধ্ব-১৮ বয়সভিত্তিক দল নিয়ে কাজ করবেন তিনি।

বিসিবির সঙ্গে বেশ কিছু ভূমিকায় কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে সুজনের। জাতীয় দলের কোচ, ম্যানেজার ও টিম লিডার ছিলেন। বিসিবি গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন লম্বা সময়। তাঁর সময়েই ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপজয়ী সেই দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার জাতীয় দলে খেলছেন। জাতীয় দলের পাইপলাইন শক্তিশালী করতে বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট থেকে প্রতিভাবান ক্রিকেটার তুলে আনতে চান সুজন, ‘বাংলাদেশের পাইপলাইন হলো বয়সভিত্তিক দল। এখানে কাজ করার অনেক জায়গা আছে। আমরা কীভাবে কী করতে পারি, সেটি দেখে একটি পরিকল্পনা করা হবে। আমি আগে গেম ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান থাকায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ হতো না।  মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে হবে এখন। কাজের স্বাধীনতা পেলে ভালো কিছু করতে পারব আশা করি। তামিম ইকবাল আমাকে স্বাধীনতাটা দেবে হয়তো।’

বিসিবির সাবেক এ পরিচালক জানান, টুর্নামেন্টগুলোকে ঢেলে সাজাতে হলে খেলোয়াড়দের পর্যবেক্ষণ করা, ছেলেদের ভালো মাঠে খেলার সুযোগ করে দেওয়া এবং উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখেন। তিনি বলেন, ‘চেয়ারম্যান থাকার সময় আমি মাঠ পর্যায়ে যেতাম না। তাই দল নির্বাচন ঠিক হতো কিনা, জানা সম্ভব ছিল না। যেমন, তাওহীদ হৃদয় আর তানজিদ হাসান তামিমকে প্রথমে ৪৫ জনে নেওয়া হয়নি। আমি আগে থেকে চিনতাম বিধায় নির্বাচকদের বলতে পেরেছি স্কোয়াডে সম্পৃক্ত করার জন্য। মাশআল্লাহ তারা এখন জাতীয় দলে খেলছে। ছোটবেলায় যদি একটা ছেলে ঝরে যায়, প্রতিভা কাজে লাগাতে না পারি, তাহলে ক্রিকেটের ক্ষতি।’ 

বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট কমিটি অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৬ ও অনূর্ধ্ব-১৮ বয়সের খেলা পরিচালনা করে। এই টুর্নামেন্ট ও দলগুলো নিয়ে ভালো কাজ করার পরিকল্পনা সুজনের, ‘এখন আমি কাজগুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারব। বিসিবি গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগে আগে থাকার কারণে একটি অভিজ্ঞতা আছে। আশা করি, সেটি কাজে লাগাতে পারব। আমরা ভালো ছেলেগুলোকে পিক করতে পারলে বাংলাদেশও ভালো খেলোয়াড় পাবে।’ 

আরও পড়ুন

×