মুস্তাফিজকে নিয়ে চিন্তিত নন কোচ
ছবি: ফাইল
ক্রীড়া প্রতিবেদক, নাগপুর থেকে
প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০১৯ | ০৩:২১
খারাপ সময় যাচ্ছে বাংলাদেশের বাঁ-হাতি কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানের। ভারতের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচেই বিবর্ণ তিনি। জিম্বাবুয়ে-আফগান টি-২০ সিরিজেও ছিলেন না চেনা ছন্দে। দিল্লিতে তাকে দিয়ে মাত্র দুই ওভার বল করান অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। পরের ম্যাচে ৩.৪ ওভার হাত ঘোরালেও খরুচে ছিলেন তিনি। ভারতের মাটিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশের বড় ভরসা তিনি। সেই মুস্তাফিজের ছন্দে না থাকা দলের জন্য বড় চিন্তার।
তবে বাংলাদেশ কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানান, মুস্তাফিজকে নিয়ে তিনি চিন্তিত নন। সে কোয়ালিটি সম্পন্ন ক্রিকেটার। দলের একজন ম্যাচ উইনার। টি-২০ ক্রিকেটে মুস্তাফিজের অভিজ্ঞতাও অনেক। বড় বড় ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে তার ভালো বোলিং করার রেকর্ড আছে। কোচের কথায় স্পষ্ট দুই ম্যাচ খারাপ গেলেও মুস্তাফিজকে নিয়ে তিনি চিন্তিত নয়। এছাড়া নাগপুরের উইকেটে ফিজের ভালো করার সম্ভাবনাও বেশি।
দল হারলে অনেক সমস্যা বের হয়। জিতলে ঢাকা পড়ে যায় অনেক কিছু। ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে বোলিং খারপ হয়েছে দলের। ব্যাটিংয়ে ভালো শুরু করেও রান বাড়াতে পারেনি। পুরো ম্যাচে ৩৮টি ডট খেলেছে দল। তিন পেসারই খারাপ বোলিং করেছেন। ব্যাটিংয়ে আবার শেষ দিকে রান তুলতে পারেননি মোসাদ্দেক-আফিফরা।
কোচ এই জায়গা নিয়ে চিন্তিত নন সেটা বলতে পারলেন না। সমস্যা সমাধানে পুরনো কথা নতুন করে বললেন, 'আমাদের ক্রিকেটাররা ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবা ইংল্যান্ডের মতো অতো শক্তিশালী না। তারা শেষ দিকে প্রত্যেকটা বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেবে বিষয়টি এমন নয়। তাদের রান বের করতে নতুন উপায় বের করে খেলতে হবে। সিঙ্গেল-ডাবল নিতে খেলতে হবে। ছয়টা ডাবল আর দুটি ছক্কা সমান এগুলো মাথায় রাখতে হবে। বলের গতি ব্যবহার করে, গ্যাপ খুঁজে মারতে হবে।'
দিল্লির উইকেটে রান কম উঠেছিল। উইকেটে বল নিচু হয়ে আসছিল। অন্যদিকে রাজকোটের উইকেট ছিল ব্যাটিং সহায়ক। দিল্লির বোলিং সহায়ত উইকেট বাংলাদেশ ভালো খেলেছে। কম রানের উইকেটে বাংলাদেশ শক্তিশালী দল। সেটা আগেও প্রমাণ হয়েছে। ব্যাটিং উইকেটে ভারতের শক্ত ব্যাটিং লাইন আপের সঙ্গে পেরে উঠছে না দল। নাগপুরের উইকেট সেখানে বাংলাদেশের জন্য সুবিধা হয়ে আসতে পারে। কারণ এখানকার উইকেটে রান কম হয়। বল নিচু হয়ে আসে। নাগপুরের উইকেট স্পিন সহায়ক।
সুযোগটা নিতে চান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো, 'অবশ্যই আমাদের জন্য বড় সুযোগ। উইকেট সহায়ক হলে আমাদের ক্রিকেটাররা লড়াই করতে পারবে। উইকেটে কেউ সেট হলে তাকে ৬০-৭০ রান করতে হবে। প্রথম ম্যাচে আমাদের মুশি বড় রান করেছে বাংলাদেশ জিতেছে। দ্বিতীয় ম্যাচে রোহিত বড় রান তুলেছে, ম্যাচ ভারতের হয়েছে। আগামী ম্যাচ আমাদের জন্য বড় সুযোগ। ভারতের বোলিং বিশ্ব সেরা। তাদের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমাদের ভালো খেলতে হবে।'
- বিষয় :
- খেলা
- ক্রিকেট
- বাংলাদেশ-ভারত-২০১৯
- তৃতীয় টি-২০
- নাগপুর
