ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

গণহত্যা

‘সেই রাতের কথা বলতে এসেছি’ প্রামাণ্যচিত্রের রজত জয়ন্তী 

এই প্রামাণ্যচিত্রের অন্যতম শক্তি এর পুনর্নির্মাণ কৌশল। ২৫ মার্চের হত্যাযজ্ঞের বিভিন্ন দৃশ্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় পুনর্নির্মাণ করা হয়—যা সেই সময়ের প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণে বিরল ছিল। চলচ্চিত্রের ভাষায় এটি একটি সচেতন ন্যারেটিভ কৌশল: সাক্ষাৎকারভিত্তিক স্মৃতিকে দৃশ্যমান করে তোলা। নির্মাতা পুনর্নির্মিত দৃশ্যগুলোর জন্য ব্যবহার করেছেন ‘সেপিয়া টোন’ (চলচ্চিত্রে সেপিয়া টোন হলো একধরনের একরঙা বা মনোক্রোমেটিক বাদামি আভাযুক্ত ভিজ্যুয়াল প্রভাব, যা সাধারণত নস্টালজিয়া, অতীতের অনুভূতি, বা একটি উষ্ণ পরিবেশ তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়)। যার ফলে দর্শক সহজেই বুঝতে পারেন কোনটি সাক্ষাৎকার, আর কোনটি অতীতের পুনর্নির্মিত স্মৃতি। 

আপডেটঃ ৩০ মার্চ ২০২৬ | ১৯:৫০
‘সেই রাতের কথা বলতে এসেছি’ প্রামাণ্যচিত্রের রজত জয়ন্তী 

একাত্তরের গণহত্যার বৈশ্বিক ন্যায়বিচারের পথ

২০২৬ সালের ২০ মার্চ মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য গ্রেগ ল্যান্ডসম্যান এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। বর্তমানে এটি বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির বিবেচনায় রয়েছে, যা ভবিষ্যতে এই প্রস্তাবের গ্রহণযোগ্যতা ও রাজনৈতিক গুরুত্ব নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন এই স্বীকৃতির জন্য কাজ করে আসছিলেন। তাঁদের নিরলস প্রচেষ্টার ফলে এই প্রস্তাবটি কেবল একটি আইনগত উদ্যোগ নয়; এটি একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষার ফল, যা ইতিহাসের নীরব অংশকে উচ্চারণের সুযোগ করে দিচ্ছে।

আপডেটঃ ২৭ মার্চ ২০২৬ | ২০:২৯
একাত্তরের গণহত্যার বৈশ্বিক ন্যায়বিচারের পথ

সর্বশেষ