এমএ আজিজ হাই স্কুল ও এমএ আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ঘিরে উৎসবের আমেজ
×
মঙ্গলবার ফরিদপুরের এমএ আজিজ হাই স্কুল ও এমএ আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদসহ অতিথিরা- সমকাল
ফরিদপুর অফিস
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৩:৫১
ফরিদপুরের এমএ আজিজ হাই স্কুল এবং এমএ আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্ট, মনোজ্ঞ ডিসপ্লে ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা।
ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম পশরায় নদী ভাঙনকবলিত উদ্বাস্তু পরিবারের বসবাস। অবহেলিত ওই এলাকায় বিশিষ্ট শিল্পপতি হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদের প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয় দুটি যেন নিভৃত পল্লিতে প্রাণের স্পন্দন। সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটির ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসী প্রতিবছর অধীর আগ্রহে থাকেন দিনটির জন্য। আয়োজনের মধ্যমণি এ. কে. আজাদসহ অতিথিরা আয়োজকদের আশ্বস্ত করেন, বঙ্গবন্ধুর গড়া এই সোনার বাংলায় আর কেউ শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না, থাকবে না বেকারত্ব, সৃষ্টি হবে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ।
জাতীয় ও ক্রীড়া পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বার্ষিক এই মিলনমেলার উদ্বোধন করেন শিক্ষানুরাগী এ. কে. আজাদ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।
এমএ আজিজ হাই স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম নিরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে অতিথি ছিলেন হা-মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. মোতালেব হোসেন, নেক্সট কালেকশন্স লিমিটেডের এমডি বেলাল হোসেন, ফরিদপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক মোল্যা, অধ্যাপক এম এ সামাদ, ডা. আবুল হাসেম, অ্যাডভোকেট শামসুল হক ভোলা মাস্টার, সমাজসেবক চিত্তরঞ্জন ঘোষ, এমএ আজিজ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক সাইফুদ্দিন, এমএ আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ ইসমত জাহান, বিদ্যালয়ের
ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি দিলিপ কুমার বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাদিকুজ্জামান মিলন পাল, স্থানীয় ডিক্রীরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু, নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেস্তাকুজ্জামান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা একেকের নির্বাহী পরিচালক এম এ জলিল, চরভদ্রাসন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোতালেব মোল্যা, নুরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তার চায়না, গেরদা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম আইয়ুব হারিচ, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হাসিবুল হাসান জ্যামী প্রমুখ। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
এ. কে. আজাদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর গড়া সোনার বাংলায় আমরা আজ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে শিখেছি। আজ আমাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার অপ্রতুলতা নেই। তবে মানসম্মত শিক্ষার অভাব রয়েছে। যে কারণে প্রতিযোগিতার বাজারে গ্রামগঞ্জের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে পড়ছে। এ জন্য সরকারের সঙ্গে আমরা সবাই মিলে ফরিদপুর অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মসূচির সরাসরি সুফলভোগী আমরা। সেই সুফলকে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন এ অঞ্চলের উন্নয়নের রূপকার সদর আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সব ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন করে ফরিদপুরের চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। এখন আমাদের কাজ তার সব উদ্যোগে সহায়তা করা। শিক্ষা থেকে যেন কোনো ছেলেমেয়ে বঞ্চিত না হয়, সে ব্যাপারে সবার সজাগ দৃষ্টি কামনা করে এ. কে. আজাদ বলেন, এ ব্যাপারে আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
অতুল সরকার বলেন, সরকার দেশকে শিক্ষায় এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ফরিদপুরে আমরা বেশ কিছু ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে দেখেছি। যার মধ্যে শিক্ষানুরাগী এ. কে. আজাদের উদ্যোগগুলো অন্যতম। তিনি চরাঞ্চলসহ দুর্গম এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে সুবিধাবঞ্চিত ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন, যা অন্য সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চায় মনোযোগী হতে হবে। তাহলেই সমাজ থেকে কুসংস্কার, মাদক ও সন্ত্রাস দূর করা সম্ভব হবে।
ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম পশরায় নদী ভাঙনকবলিত উদ্বাস্তু পরিবারের বসবাস। অবহেলিত ওই এলাকায় বিশিষ্ট শিল্পপতি হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদের প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয় দুটি যেন নিভৃত পল্লিতে প্রাণের স্পন্দন। সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটির ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসী প্রতিবছর অধীর আগ্রহে থাকেন দিনটির জন্য। আয়োজনের মধ্যমণি এ. কে. আজাদসহ অতিথিরা আয়োজকদের আশ্বস্ত করেন, বঙ্গবন্ধুর গড়া এই সোনার বাংলায় আর কেউ শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না, থাকবে না বেকারত্ব, সৃষ্টি হবে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ।
জাতীয় ও ক্রীড়া পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বার্ষিক এই মিলনমেলার উদ্বোধন করেন শিক্ষানুরাগী এ. কে. আজাদ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।
এমএ আজিজ হাই স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম নিরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে অতিথি ছিলেন হা-মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. মোতালেব হোসেন, নেক্সট কালেকশন্স লিমিটেডের এমডি বেলাল হোসেন, ফরিদপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক মোল্যা, অধ্যাপক এম এ সামাদ, ডা. আবুল হাসেম, অ্যাডভোকেট শামসুল হক ভোলা মাস্টার, সমাজসেবক চিত্তরঞ্জন ঘোষ, এমএ আজিজ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক সাইফুদ্দিন, এমএ আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ ইসমত জাহান, বিদ্যালয়ের
ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি দিলিপ কুমার বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাদিকুজ্জামান মিলন পাল, স্থানীয় ডিক্রীরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু, নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেস্তাকুজ্জামান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা একেকের নির্বাহী পরিচালক এম এ জলিল, চরভদ্রাসন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোতালেব মোল্যা, নুরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তার চায়না, গেরদা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম আইয়ুব হারিচ, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হাসিবুল হাসান জ্যামী প্রমুখ। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
এ. কে. আজাদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর গড়া সোনার বাংলায় আমরা আজ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে শিখেছি। আজ আমাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার অপ্রতুলতা নেই। তবে মানসম্মত শিক্ষার অভাব রয়েছে। যে কারণে প্রতিযোগিতার বাজারে গ্রামগঞ্জের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে পড়ছে। এ জন্য সরকারের সঙ্গে আমরা সবাই মিলে ফরিদপুর অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মসূচির সরাসরি সুফলভোগী আমরা। সেই সুফলকে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন এ অঞ্চলের উন্নয়নের রূপকার সদর আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সব ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন করে ফরিদপুরের চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। এখন আমাদের কাজ তার সব উদ্যোগে সহায়তা করা। শিক্ষা থেকে যেন কোনো ছেলেমেয়ে বঞ্চিত না হয়, সে ব্যাপারে সবার সজাগ দৃষ্টি কামনা করে এ. কে. আজাদ বলেন, এ ব্যাপারে আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
অতুল সরকার বলেন, সরকার দেশকে শিক্ষায় এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ফরিদপুরে আমরা বেশ কিছু ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে দেখেছি। যার মধ্যে শিক্ষানুরাগী এ. কে. আজাদের উদ্যোগগুলো অন্যতম। তিনি চরাঞ্চলসহ দুর্গম এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে সুবিধাবঞ্চিত ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন, যা অন্য সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চায় মনোযোগী হতে হবে। তাহলেই সমাজ থেকে কুসংস্কার, মাদক ও সন্ত্রাস দূর করা সম্ভব হবে।
- বিষয় :
- ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
