ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি ও বহির্বিভাগ লকডাউন

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি ও বহির্বিভাগ লকডাউন
×

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২০ | ০০:৫১

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ ও বহির্বিভাগ লকডাউন করা হয়েছে। একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্টের দেহে (ল্যাব) করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় বুধবার সকালে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি লকডাউন করা হয়।

শনাক্ত হওয়া ওই টেকনোলজিস্টকে আইসোলেশন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে প্যাথলজি বিভাগের আরও চারজনকে।

আক্রান্ত এই ব্যক্তির বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায়। 

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে যারা করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে যেতেন তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছিল প্যাথলজি বিভাগে। পরে এসব নমুনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মাধ্যমে পাঠানো হতো রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) করোনা শনাক্তের পিসিআর ল্যাবে। আর এ কাজে যুক্ত ছিলেন প্যাথলজি বিভাগের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) তিনজন, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট একজন ও এমএলএসএস একজন। সম্প্রতি এক মেডিকেল টেকনোলজিস্টের (ল্যাব) কাশি দেখা দিলে ২২ এপ্রিল তার নমুনা সংগ্রহ করে রমেকে পাঠানো হয়। পরে করোনা পরীক্ষা করে মঙ্গলবার রাতে তার করোনা শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। 

পরে বুধবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্যাথলজি বিভাগ ও বহির্বিভাগ ব্লক লকডাউন ঘোষণা করে তালাবব্ধ করে দেয়। 

বহির্বিভাগ সেবা জরুরি বিভাগের ব্লকে নেওয়া হবে বৃহস্পতিবার থেকে। 

করোনা শনাক্ত হওয়া ওই মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে (ল্যাব) বুধবার সকালে গাইবান্ধা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অস্থায়ী আইসোলেশন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। 

জেলায় বুধবার পর্যন্ত করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ১৯ জন। তাদের মধ্যে থেকে একজন মারা গেছেন। প্যাথলজি বন্ধ হওয়ার ঘটনায় ভুগতে হচ্ছে রোগীদের। এমতাবস্থায় অন্য হাসপাতাল থেকে টেকনোলজিস্ট নিয়ে এসে প্যাথলজি সেবা চালু করার দাবি করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। 

এ বিষয়ে হাসপতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. মাহফুজার রহমান বলেন, প্যাথলজি বিভাগের একজনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় তার চার সহকর্মীকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। আপাতত কয়েকদিন প্যাথলজি বিভাগ বন্ধ থাকবে। 

তিনি জানান, চারজনের নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবে পাঠানো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাদের নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে নেগেটিভ হলে তখন প্যাথলজি বিভাগের সেবা চালু করা হবে। যদি এই চারজনও করোনায় পজিটিভ হন তাহলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে প্যাথলজি বিভাগ। 


আরও পড়ুন

×