ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন আরো সাতজন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন আরো সাতজন
×

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২০ | ০৪:৩৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেলা সদরের বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসা শেষে  সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই পরিবারের আরো সাতজন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাড়পত্র দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদেরকে বাড়ি পাঠানো হয়। 

এর আগে দুই দফায়  আইসোলেশন থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আরো সাতজন। এ নিয়ে জেলার করোনার আইসোলেশন থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪জন। বৃহস্পতিবার সুস্থ হয়ে  বাড়ি ফেরা ৭ জনের মধ্যে ৪ জন একই পরিবারের। বাকি ৩ জনও একই পরিবারের। 

বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশন কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ এপ্রিল জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার পথে মারা যান নাসিরনগর উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের মকবুলপুর  গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী এক মালয়েশিয়া প্রবাসী। পরে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পর্যায়ক্রমে ওই প্রবাসীর সংস্পর্শে আসা স্ত্রী, সন্তানসহ বাবার বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। জ্বর-শ্বাসকষ্টে মারা যাওয়া মালয়েশিয়া প্রবাসী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন বলে ১২ এপ্রিল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রতিবেদন আসে। ১৪ এপ্রিল প্রবাসীর স্ত্রী, ১৭ এপ্রিল তার আড়াই বছরের শিশু কন্যা ও দুই ভাইয়ের করোনার ফল পজেটিভ আসে। পরে তাদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশনে নেওয়া হয়।

এ দিকে আখাউড়া উপজেলার চর নারায়নপুর গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মেয়ে ঢাকা থেকে আসার পর পরিবারের সকল সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ঢাকা থেকে আসা মেয়েসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের করোনার নমুনার ফল নেগেটিভ আসলে ৫৫ বছর বয়সী ব্যক্তির অপর এক মেয়ে ও ছেলের বউয়ের করোনার ফল পজেটিভ আসে। পরে ১৫ এপ্রিল ৫৫ বছর বয়সী ব্যক্তি ও তার মেয়ে ও ১৭ এপ্রিল ছেলের বউকে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশনে নেওয়া হয়।

এ দিকে সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ৩৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়। তাদের মধ্যে মারা যান দুইজন। বতর্মানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বক্ষব্যাধি হাসপাতালের আইসোলেশনে ৯ জনসহ মোট ২১ জন আইসোলেশনে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত জেলায় তিনজন চিকিৎসক, তিনজন স্বাস্থ্যকর্মী ও একজন ওটি সহকারীর করোনা শনাক্ত হয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ বলেন, বৃহস্পতিবার ৭ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে মোট ১৪ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হল।

আরও পড়ুন

×