করোনা ঝুঁকির মধ্যেই কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে যাত্রীর চাপ
ছবি: সমকাল
শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৪ মে ২০২০ | ০৮:০২ | আপডেট: ০৪ মে ২০২০ | ০৮:৪০
করোনা ঝুঁকির মধ্যেই কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ঢাকামুখী ও ঘরমুখী মানুষের ভিড় বেড়েছে। সোমবার সকাল থেকেই ঢাকামুখী মানুষের চাপ ছিল। এ ছাড়া ঢাকা থেকে মানুষ বাড়ির উদ্দেশ্যেও আসতে দেখা গেছে।
সোমবার সকাল থেকেই কাঁঠালবাড়ি ফেরি ঘাটে পোশাক শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষজনের ব্যাপক ভিড় রয়েছে। লঞ্চ-স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতেও ছিল বাড়তি চাপ। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া বন্ধে সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলেও গত ২৬ এপ্রিল থেকে আজও দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার খ্যাত কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া ভিড় কখনই কমেনি। পাশাপাশি কিছু সংখ্যক যানবাহন নিয়েও ফেরি পারাপার হয়েছে।
সরেজমিনে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে দেখা যায়, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও ফেরীযোগে পাড়ি দিচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে শুরু হয়েছে পারাপারের প্রতিযোগিতা। সকাল থেকে রাজধানীমুখী যাত্রীদের ভীড়ে যেন উৎসবে পরিণত হয় কাঁঠালবাড়ি ঘাটে। দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার সতর্ক থাকলেও পদ্মা নদীর কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে যেন পারপারে প্রতিযোগিতায় লেগেছেন হাজার হাজার মানুষ।
বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ি ঘাট সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই ৪-৫টি ফেরিতে সীমিত আকারে যাননবাহন পার করা হচ্ছে।এ দিকে ঢাকার গার্মেন্টসগুলো খোলার কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বিকল্পভাবে ভেঙে ভেঙে ঘাটে আসতে হচ্ছে শ্রমিকদের। লঞ্চ ও স্পীড বোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে করে ঢাকামুখী যাত্রীরা পার হচ্ছেন। তবে যাত্রীদের সাথে প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবাদানকারী যানবাহনও পার করা হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ি ঘাটের সহকারি ব্যবস্থাপক সামসুল আরেফিন বলেন, কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ঘাটে চলমান ১৭টি ফেরির মধ্যে ২টি রোরো, ২টি ডাম্ব, ২টি কে ধরণ ও একটি মধ্যম ফেরির মাধ্যমে যাত্রী ও যানবাহন পার করানো হচ্ছে। সকাল থেকেই রাজধানীমুখী যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। আজ সাতটি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পার করানো হচ্ছে।