ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

করোনার হটস্পট গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরও দুই কর্মকর্তা আক্রান্ত

করোনার হটস্পট গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরও দুই কর্মকর্তা আক্রান্ত
×

ফাইল ছবি

গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ মে ২০২০ | ০৪:৪২ | আপডেট: ০৮ মে ২০২০ | ০৮:২১

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরও দুই কর্মকর্তার করোনা শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার এ দু’জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা (কভিড-১৯) পজিটিভ হলেন। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে কভিড-১৯ এর হটস্পট হিসেবেই দেখছেন এলাকাবাসী। হাসপাতালের এমন অবস্থায় মানুষের মধ্যে জরুরি স্বাস্থসেবা পাওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার তাসলিমা আনাম জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন শনাক্ত একজন উপসহকারী মেডিকেল অফিসার এবং অন্য জন ফিজিওথেরাফিষ্ট। তিনি জানান, এর আগে গত শুক্রবার করোনা শনাক্ত হয় দুই চিকিৎসকের। তাদের একজনের সংস্পর্শে থেকে জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছিলেন নতুন আক্রান্ত উপসহকারী মেডিকেল অফিসার। 

এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন চিকিৎসক, দুইজন উপসহকারী মেডিকেল অফিসার, দুইজন নার্স, একজন ফার্মাসিস্ট, নার্সের কলেজ পড়–য়া কন্যা, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী, ফিজিওথেরাফিষ্টসহ ১৪জন আক্রান্ত হলেন। এদের নিয়ে উপজেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২১ জন। 

আক্রান্তদের মধ্যে উপসহকারী মেডিকেল অফিসার মো: লিয়াকত হোসেন, ব্যাংক কর্মচারী আবদুস সাত্তার মোল্লা ও গৃহিনী সানোয়ারা বেগম সুস্থ হয়েছেন।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসারের কার্যালয় সূত্র জানায়, ১০ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন উপসহকারী মেডিকেল অফিসার, একজন নার্স (পুরুষ) ও একজন বহিরাগত শ্রমিকের শরীরে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, দুই চিকিৎসক অজ্ঞাত কোনো রোগীর সংস্পর্শে এসেই করোনা পজিটিভ হয়েছেন। 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই কর্মীর করোনা শনাক্ত হওয়ায় সাময়িকভাবে জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ রেখে হাসপাতালের আবাসিক এলাকায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়।  

দুই দিন বন্ধ রাখার পর পুরো হাসপাতাল কমপ্লেক্স জুড়ে ফায়ার সার্ভিসের সাহায্যে জীবানুনাশক স্প্রে করে পুনরায় সীমিত আকারে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া শুরু হয়। এরইমধ্যে পর্যায় ক্রমে আক্রান্ত হন হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট ১৪ জন।  

গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান সাদী বলেন, স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী মানুষকে খুব বেশী জরুরি না হাসপাতালে আসা উচিত হবে না। এলাকাবাসীকে বাসায় থেকে টেলিমেডিসিন সেবা গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি। 

আরও পড়ুন

×