ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

২২ ফুট লম্বা রকেট ঘুড়ি উড়িয়ে সাড়া ফেললেন আনিছুর

২২ ফুট লম্বা রকেট ঘুড়ি উড়িয়ে সাড়া ফেললেন আনিছুর
×

২২ ফুট লম্বা দানব আকৃতির রকেট ঘুড়ি- সমকাল

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২০ | ০০:০১ | আপডেট: ১৮ জুন ২০২০ | ০৪:৪৫

করোনা মহামারিতে চারিদিকে বিরাজ করছে এক অস্থির পরিবেশ, আতঙ্ক ভর করেছে জীবন-জীবিকায়। ঠিক এমন সময় একটু মানসিক প্রশান্তির আশায় দেশের অন্যান্য স্থানের মতো পাবনার চাটমোহরেও শুরু হয় ঘুড়ি উড়ানোর ধুম। শিশু-কিশোর থেকে তরুণ, বৃদ্ধ কেউই বাদ নেই এ তালিকায়। নিত্য নতুন ডিজাইনের ঘুড়ি তৈরি আর উড়ানো যেন এখন প্রতিদিনের চিত্র।

জানা গেছে, করোনার জন্য অনেকেই বাড়িতে অবস্থান করছেন, সময় যেন কাটছে না। যে কারণে সবাই নেমেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহি ঘুড়ি উড়ানোর কাজে। কে কত রকমের, কত রঙের, কত বড় ঘুড়ি বানাবে তা নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলছে। শুধু দিনের বেলাতেই নয়, রাতের বেলাতেও উড়ানো হচ্ছে ঘুড়ি। এজন্য বাহারি ডিজাইনের সব ঘুড়ির সঙ্গে লাগানো হয়েছে রঙ বেরঙের লাইট। 

প্রথম স্থানে এগিয়ে থাকার লক্ষ্য নিয়ে নতুন নতুন ডিজাইনের বিশাল আকৃতির ঘুড়ি তৈরি করছে অনেকেই। তবে ঘুড়ি তৈরি ও উড়ানোর প্রতিযোগিতায় নজর কেড়েছে একটি ঘুড়ি। 

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় এক ব্যক্তি তৈরি করেছেন ২২ ফুট লম্বা দানব আকৃতির রকেট ঘুড়ি। উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের শহর আলীর ছেলে রসুন ব্যবসায়ী আনিছুর রহমান (৩৫) ব্যাক্তিগত উদ্যোগে তৈরি করেছেন এই ঘুড়ি। আর এই ঘুড়ি উড়িয়ে এলাকায় রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছেন তিনি।

আনিছুর রহমান জানান, ২২ ফুট রকেট ঘুড়ি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয় দু’টি আস্ত বাঁশ, তিন কেজি পলিথিন কাগজ, ২শ’ গ্রাম কট সুতা। প্রতিদিন ১০ জন মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে মোট চারদিনে প্রস্তুত করেছে ঘুড়িটি। এই ঘুড়ি তৈরি করতে সর্বমোট প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে ঘুড়িটি উড়ানো হচ্ছে।

কাটাখালী গ্রামের বাসিন্দা মামুনুর রশিদ জানান, দানব আকৃতির রকেট ঘুড়ি উড়াতে মোট ৮ কেজি দড়ি ব্যবহার করা হয়। ঘুড়ি উড়াতে দড়ি ধরতে ৭-৮ জন আর ঘুড়ি উড়িয়ে দিতে ৭-৮ জন মোট ১৬ জনের মানুষের প্রয়োজন হয়।

আরও পড়ুন

×