বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক গভীর ও ঐতিহাসিক: স্পিকার
কক্সবাজার অফিস
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০১৯ | ০৯:২৭
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং ঐতিহাসিক। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভারত আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ ভারতের এই ত্যাগ ও সহযোগিতার কথা কোনোদিন ভুলবে না।
বাংলাদেশ-ভারত নবম ফ্রেন্ডশিপ ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজারের ইনানীতে একটি তারকা হোটেলে এ সংলাপ শুরু হয়েছে। দু'দিনব্যাপী এই সংলাপের উদ্বোধন করেন স্পিকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
স্পিকার আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ফ্রেন্ডশিপ সংলাপ দুই দেশের মধ্যে সার্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করবে। তিনি এই সংলাপের সাফল্য চেয়ে বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়াতে এই সংলাপ উপায় খুঁজে পাবে।
শিরীন শারমিন বলেন, দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সমস্যাগুলোর উল্লেখযোগ্য সমাধান হয়েছে। অমীমাংসিত সমস্যাগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে শিগগির সমাধান হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল রাম মাধব বারানাশী, আসাম রাজ্যের অর্থমন্ত্রী হীমান্ত ভীষ্ফম শর্মা ও বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাশ। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক।
রাম মাধব বারানাশী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'গুড গভর্ন্যান্স' তৈরিতে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে তার সরকার অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী প্রশংসা পেয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে বাংলাদেশ ও ভারত অভিন্ন নীতিতে কাজ করছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই দেশ আগামীতে আরও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে কাজ করবে।
শনিবার দ্বিতীয় অধিবেশনে 'কক্সবাজার ঘোষণা'র মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হবে এই ডায়ালগ। বিনিয়োগের মাধ্যমে উভয় দেশের সম্পর্ক দৃঢ়করণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এ ডায়ালগের মূল লক্ষ্য। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি খাতসহ সম্ভাবনাময় আরও বিভিন্ন খাতের সার্বিক উন্নয়ন ডায়ালগে গুরুত্ব পাবে বলে সংশ্নিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
- বিষয় :
- স্পিকার
- ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী