মাঠ জলমুক্ত, ক্লাসে ফিরলো আড়াইশ শিক্ষার্থী
স্কুলের শুকনো মাঠ পেয়ে খেলায় ব্যস্ত শিশুরা। ছবি-সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৫ | ২৩:২৯
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এক মাসের বেশি সময় ধরে কোমরসমান পানি জমে ছিল। জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়ে বিদ্যালয়ের প্রায় আড়াইশ শিক্ষার্থী। অবশেষে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করায় শ্রেণিকক্ষে ফিরেছে শিক্ষার্থীরা, ফিরেছে খেলার মাঠেও।
গত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে টানা বৃষ্টিতে নোয়াখালীর আটটি উপজেলার অনেক এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় তা দীর্ঘস্থায়ী হয়। সড়ক, মহল্লা, এমনকি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনাও পানিতে নিমজ্জিত হয়।
চৌমুহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠও কোমরসমান পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিশু শিক্ষার্থীদের। এতে উপস্থিতি কমে আসে এবং পাঠদান অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
বিষয়টি সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের নজরে আসে। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালককে নির্দেশনা দিলে নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ড তা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ, নির্বাহী প্রকৌশলী হালিম সালেহী ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (বেগমগঞ্জ) মো. রাসেল উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে মাঠের পানি নিষ্কাশন করা হয়। বাইরে থেকে পানি প্রবেশ বন্ধে জিওব্যাগ দিয়ে ব্লক তৈরি এবং পাম্প বসিয়ে স্থায়ী নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে একটি পাম্পও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে পুনরায় বৃষ্টিতে পানি জমলে তা ব্যবহার করা যায়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী হালিম সালেহী বলেন, উপদেষ্টা মহোদয়ের নির্দেশে স্থায়ীভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছি। শিশুরা মাঠ ফিরে পেয়ে আবার খেলাধুলা ও পড়াশোনায় মন দিয়েছে।
- বিষয় :
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
