ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

রাজবাড়ীতে বেড়িবাঁধে ফুটো, আতঙ্কে এলাকাবাসী

রাজবাড়ীতে বেড়িবাঁধে ফুটো, আতঙ্কে এলাকাবাসী
×

ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে বালুর বস্তা ফেলছে পাউবো

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২০ | ০৫:১৩


রাজবাড়ীতে বেড়িবাঁধ ফুটো হয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করছে লোকালয়ে । এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। বুধবার সকালে জেলার সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের গোপালবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, ইঁদুরে বাঁধ ফুটো করার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে বালির বস্তা ফেলে ফুটো বন্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেড়িবাঁধের এক পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চলছে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে  ৫০ মিটার জুড়ে দেয়া হয়েছে বাঁশের বেড়া। জানা গেছে, দুদিন আগে বাঁধটি ফুটো হয়ে দক্ষিণ পাশে হাকিম মিয়ার বাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করে। সেখানেও বালির বস্তা ফেলেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

হাকিম মিয়ার স্ত্রী রিনা বেগম জানান, দুদিন আগে হঠাৎ  করে ঘরের নিচ দিয়ে পানি আসতে শুরু করে। নিজেরাই সেটা বন্ধ করেন। পরে উপর দিয়ে পানি আসতে শুরু করে। এরপর তারা বিষয়টি স্থানীয় মেম্বারকে জানান।

এলাকার নজরুল ব্যাপারী, ইসলামসহ অনেকেই জানান, বন্যার পানি একটু বেশি হলেই এভাবেই ছিদ্র হয়ে এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে। তারা বলেন,বেড়িবাঁধ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া না হলে যে কোনো সময় তা ভেঙে যেতে পারে। বেড়িবাঁধ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবিও জানান তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে কাজের তদারিকতে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ার্ক সহকারী সাগর জানান, বেড়িবাঁধ ফুটো হয়ে যে বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে সেখানে একটু কূপ বানিয়ে পানির লেবেল করা হয়েছে। এরপর বাঁধের উত্তর পাশে বাঁশের বেড়া দেয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
 
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, বাঁধের ওই স্থানে ইঁদুর ফুটো করেছে। বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সেখান দিয়ে পানি ঢুকে গেছে। ৪শ বস্তা বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান মেরামত করা হয়েছে। বাঁধের অন্যান্য স্থানও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। কোথাও এমন সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্থানটি এখন অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত। বাঁধ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

×