যশোর বোর্ডে ২০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, শতভাগ পাস ৫টিতে
ফাইল ছবি
যশোর অফিস
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫ | ১৩:২০
যশোর শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। তবে ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এবার উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় যশোর শিক্ষাবোর্ডের মিলনায়তনে ফলাফল প্রকাশ করেন বোর্ডটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আসমা বেগম। বোর্ডে এ বছর গড় পাসের হার ৫০ দশমিক ২০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৯৫ জন। গত বছরের তুলনায় এ বছর পাশের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কমেছে। এ ছাড়া শূন্য পাশের কলেজের সংখ্যাও বেড়েছে।
শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিএন কলেজ থেকে ১১ জন অংশ নিয়েছিলেন, তারা সকলেই ফেল করেছেন। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মডেল কলেজ খুলনা থেকে ১ জন অংশ নিয়ে ফেল করেছেন। খুলনা সদরের হোম ইকোনমিক্স কলেজ থেকে ১ জন, পাইকগাছার কপিলমনি সহচারী বিদ্যা মন্দির থেকে ৫ জন, তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮ জন অংশ নিলেও কেউ পাস করেননি।
মাগুরা সদরের বুজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজ থেকে ৮ জন, মাগুরা সদরের রাওতারা এইচ এন সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৪ জন, মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার কানাইনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস কলেজ থেকে ৯, মোহাম্মদপুর উপজেলার বিরেন সিকদার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন, তবে কেউ পাস করেননি।
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার সিংজোর গোপালপুর কলেজ থেকে ১৮ জন, সাতক্ষীরা সদরের ইসলামিয়া মহিলা কলেজ থেকে ৯ জন, সাতক্ষীরা সদরের আখড়াখোলা আদর্শ কলেজ ৯ থেকে জন, সাতক্ষীরা কমার্স কলেজ ২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফেল করেন।
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া হাজিরবাগ আইডিয়াল গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭ জন, চৌগাছা উপজেলার মাড়ুয়া ইউসুফ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৬ জন, অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়ন কলেজ থেকে ৭, কেশবপুর উপজেলার বুরুলি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০ জন পরীক্ষায় অংশ নেন, তবে কেউ পাস করেননি।
কুষ্টিয়া সদরের আলহাজ আব্দুল গণি কলেজ থেকে ৪ জন, ঝিনাইদহ সদরের মুনুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন ও নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মাকরাইল করিম কালেক সুলাইমান ইনস্টিটিউট থেকে ৩৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আব্দুল মতিন বলেন, জুলাই আন্দোলনের কারণে শিক্ষার্থীদের কিছু ঘাটতি ছিল। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খাতার যথার্থ মূল্যায়ন হয়েছে। অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে আমরা বেড়িয়ে এসেছি। যে কারণে পাশের হার কমেছে।
তিনি আরও বলেন, শূন্য পাশের কলেজের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- বিষয় :
- এইচএসসির ফল প্রকাশ
- যশোর
