বিএনপির উদ্যোগে পদ্মার পানি ন্যায্য বণ্টনের দাবিতে মতবিনিময় সভা
রোববার সন্ধ্যায় জেলা শহরের শহীদ সাটু হল মিলনায়তনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সমকাল
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৫ | ১৫:৫০ | আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২৫ | ১৬:৩৮
‘আমাদের গঙ্গা-পদ্মা, আমাদের অধিকার’ এবং ‘নায্য পানি বণ্টনে হোক সমাধান’ এ স্লোগানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় জেলা শহরের শহীদ সাটু হল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদী গঙ্গা ও পদ্মার ন্যায্য পানি বণ্টন এবং স্থানীয় জনসাধারণের অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভারতের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়।
বিএনপির দলীয় সাবেক ৩ সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে সভায় বক্তারা নদী ও পানি সম্পদ সংরক্ষণ, ন্যায্য পানি বণ্টন এবং স্থানীয় মানুষের জীবিকাকে প্রভাবিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পরিবেশ ও জনস্বার্থে জলবণ্টনের অপরিহার্যতা তুলে ধরেন বক্তারা। সভায় অংশগ্রহণকারীরা নদীর অবৈধ ব্যবহার রোধ, সেচ ও শিল্প ক্ষেত্রে ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। এতে এলাকার বিভিন্ন পেশাজীবী, শিক্ষার্থী ও জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মো. হারুনুর রশীদ। সাবেক এমপি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক মো. শাহজাহান মিঞার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম।
মতবিনিময় সভায় হারুনুর রশিদ বলেন, ‘ভারত যদি আমাদের বন্ধু হতো তাহলে নরহত্যাকারী, দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসকারী, বিনা ভোটে অন্যায় ভাবে ১৫ বছর ক্ষমতা দখলকারী, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকারী আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের আশ্রয় না দিয়ে বাংলাদেশের কাছে ফেরত দিতো।’
জামায়াত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘যারা সমাজে বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তির চেষ্টা করছে এবং অতীতে তারা জাতীয় নির্বাচনে কতটি আসন পেয়েছে, তাদের সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। ওই দলটি বাংলাদেশে মুনাফিক তৈরির কারখানা।’
অন্তর্বর্তী সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনকে ভয় পায় না। অন্তর্বতী সরকারের প্রধানের দায়িত্ব হচ্ছে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা। আর এতে ব্যর্থ হলে আপনাদের বিচারের আওতায় আনা হবে এবং মিডিয়ার কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।’
