ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-সদর একাংশ) 

জামায়াত প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা আহত ১০

জামায়াত প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা আহত ১০
×

কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জামায়াতের অন্তত ১০ কর্মী আহত হয়েছেন। ছবি: সমকাল

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৫:২৩

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-সদর একাংশ) আসনে জামায়াতের এমপি প্রার্থী ও জেলা আমির মাওলানা শাহিনুর আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জামায়াতের অন্তত ১০ কর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

ঘটনার প্রতিবাদে ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন জামায়াত নেতারা। মিছিলটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

আহতদের মধ্যে দলটির পিপুলবাড়িয়া আঞ্চলিক শাখার সভাপতি আব্দুল আওয়াল, ছোনগাছা ইউনিয়ন আমির নজরুল ইসলাম এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহকারী সেক্রেটারি নুর আলমকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া কাজীপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আরমান হোসেনসহ কয়েকজনকে বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জামায়াত প্রার্থী শাহিনুর আলম অভিযোগ করেন, সোনামুখী ইউনিয়নের স্থলবাড়ি গ্রামে একটি ইসলামী জলসায় তাঁকে বক্তব্য দিতে বাধা দেওয়া এবং তাঁর কর্মীদের মারধর করা হয়। ফেরার পথে সোনামুখী এলাকায় পৌঁছলে বিএনপি সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালায় বলে দাবি করেন তিনি। হামলার সময় ওই আসনের বিএনপি প্রার্থী সেলিম রেজার উপস্থিতিকে তিনি ‘পরোক্ষ ইন্ধন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এ ঘটনা প্রমাণ করে, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ গড়ে ওঠেনি।

জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া সেলের মুখপাত্র মো. শহিদুল ইসলাম জানান, কাজীপুরের ঘটনায় তারা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
 
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জামায়াতের নেতারা বহিরাগত ও আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে সভায় উপস্থিত হন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হলে তারা সভা বন্ধ করে দেন। পরে তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। তিনি চলে আসার পর স্থানীয়রা কিছু লোককে লক্ষ্য করে হামলা করেছে বলে শুনেছেন। এর সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মুহাম্মদ এনায়েতুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় জামায়াত ও বিএনপি–দুই পক্ষ থেকেই মৌখিক অভিযোগ এসেছে। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

আরও পড়ুন

×