ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাসমেলায় যেতে বন বিভাগের ৮ নিরাপদ পথ নির্ধারণ

রাসমেলায় যেতে বন বিভাগের ৮ নিরাপদ পথ নির্ধারণ
×

ফাইল ছবি

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০১৯ | ০৯:৩৪

সুন্দরবনের দুবলারচরে ঐতিহ্যবাহী 'রাস পূর্ণিমা পুণ্যস্নান'-এ যাওয়ার আটটি পথ নির্ধারণ করেছে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ। আগামী ১০ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী পুণ্যস্নানে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য এসব পথে দায়িত্বে থাকবে বন বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ড বাহিনীর টহল দল।

অনুমোদিত আটটি পথ হলো- বুড়িগোয়ালিনী, কোবাদক থেকে বাটুলানদী-বল নদী-পাটকোষ্টা খাল হয়ে হংসরাজ নদী হয়ে দুবলারচর। কদমতলা থেকে ইছামতী নদী, দোবেকী হয়ে আড়পাঙ্গাসিয়া-কাগাদোবেকী হয়ে দুবলার চর। কৈখালী স্টেশন হয়ে মাদার গাং, খোপড়াখালী ভারানী, দোবেকী হয়ে আড়পাঙ্গাসিয়া-কাগাদোবেকী হয়ে দুবলার চর। কয়রা, কাশিয়াবাদ, খাসিটানা, বজবজা হয়ে আড়ূয়া শিবসা-শিবসা নদী-মরজাত হয়ে দুবলার চর। নলিয়ান স্টেশন হয়ে শিবসা-মরজাত নদী হয়ে দুবলার চর। ঢাংমারী অথবা চাঁদপাই স্টেশন-তিনকোনা দ্বীপ হয়ে দুবলার চর। বগী-বলেশ্বর-সুপতি স্টেশন-কচিখালী-শেলার চর হয়ে দুবলার চর এবং শরণখোলা স্টেশন-সুপতি স্টেশন-কচিখালী-শেলার চর হয়ে দুবলার চর।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট প্রবেশমূল্য দিয়ে যাত্রীরা নির্ধারিত রুটের পছন্দমতো একটি মাত্র পথ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন এবং দিনের বেলায় চলাচল করতে পারবেন। বন বিভাগের চেকিং পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোথাও নৌকা, লঞ্চ বা ট্রলার থামানো যাবে না। প্রতিটি ট্রলারের গায়ে রং দিয়ে বিএলসি অথবা সিরিয়াল নম্বর লিখতে হবে। এ ছাড়া রাস পূর্ণিমায় আসা পুণ্যার্থীদের সুন্দরবনে প্রবেশের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে প্রাপ্ত সনদপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। পরিবেশ দূষণ করে এমন বস্তু, শব্দযন্ত্র, পটকা ও বাজি, বিস্ম্ফোরক দ্রব্য, দেশি যে কোনো অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র নেওয়া যাবে না। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে অবস্থানকালে সবসময় টোকেন ও টিকিট নিজের সঙ্গে রাখতে হবে। প্রতিটি লঞ্চ, নৌকা ও ট্রলারকে মেলা প্রাঙ্গণে কন্ট্রোল রুমে আবশ্যিকভাবে রিপোর্ট করতে হবে।

আরও পড়ুন

×