ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণ, আহত ৪

কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণ, আহত ৪
×

মাদ্রাসা ভবন বিস্ফোরণে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ছবি: সংগহীত

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১৪:৫৯ | আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১৮:৫৬

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে হাসনাবাদ উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনে বিস্ফোরণ হয়েছে। এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক- শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের তিন সন্তানের মধ্যে দুই ছেলে উমায়েত হোসেন (১০) ও মো. আব্দুল্লাহ (৭) আহত হন। আহতদের মধ্যে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

বিস্ফোরণে মাদ্রাসার একতলা ভবনের বেশ কয়েকটি কক্ষের দেয়াল উড়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে ককটেল, কেমিক্যাল জাতীয় দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছেন। মাদ্রাসা ভবনে বোমা তৈরি করতে ছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আজ শনিবার সকালে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শুক্রবার দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকার উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ ঘটে। হঠাৎ বিকট শব্দের স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে হাসনাবাদ উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনের দুটি কক্ষ বিধ্বস্ত হয়। ভবনে ব্যাপক ক্ষতি হয়।

হাসনাবাদ এলাকার বাসিন্দা আলী আহসান জানান, দেশে বড় ধরনের নাশকতার জন্য মাদ্রাসাটির ভেতরে বোমা তৈরির কাজ করছিল। এই মাদ্রাসায় প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মাদ্রাসা বন্ধ ছিল।

হাসনাবাদ এলাকার বাসিন্দা জহির আহমেদ জানান, ভবনের এক পাশে তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালিত হতো। অপর পাশের একটি কক্ষে পরিচালক শেখ আল আমিন পরিবারসহ গত তিন বছর ধরে বসবাস করছিলেন। বিস্ফোরণে পাশের একটি ভবনের কিছু অংশ ফেটে গেছে। ঘরের ভেতরের আসবাবপত্রও ভেঙে পড়েছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছি। বাড়ির মালিক পারভিন বেগম জানান, তিন বছর আগে মুক্তি হারুন তার বাড়ি ভাড়া নেয়। এরপর থেকে তারা সেখানে বসবাস করছিলেন।

জাকির হোসেন নামের আরেকজন বলেন, আমি গ্যারেজে গাড়ি রেখে বাসায় যাচ্ছিলাম। হঠাৎ বিস্ফোরণ হলে ওপর থেকে ইট পড়ে আমার মাথায় লাগে। এরপর আমি অজ্ঞান হয়ে যাই। স্থানীয়রা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন

×