ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

দুজনের বার্ষিক আয় অর্ধকোটির বেশি, অন্যদের ৪-১৩ লাখ

দুজনের বার্ষিক আয় অর্ধকোটির বেশি, অন্যদের ৪-১৩ লাখ
×

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:০৪ | আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২:৪০

| প্রিন্ট সংস্করণ

ঝিনাইদহের চারটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে দুজন কোটিপতি। তাদের মধ্যে সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের বার্ষিক আয় ৯৫ লাখ টাকা। আরেকজনের বার্ষিক আয় অর্ধকোটির বেশি। সবগুলো আসনে বিএনপি ও প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অন্য প্রার্থীর বার্ষিক আয় চার থেকে ১৩ লাখ টাকার মধ্যে। বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে এসব আসনে ২৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

ঝিনাইদহ-১ : এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। আইন পরামর্শক, স্থাবর সম্পত্তি ভাড়া, ব্যবসা, ব্যাংক আমানত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৯৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। সঞ্চয়পত্র, দুটি প্রাইভেটকার, নগদ ও জমা অর্থসহ তাঁর অস্থাবর সম্পদের মূল্য পাঁচ কোটি টাকা। ঢাকায় জমি ও একাধিক ফ্ল্যাটসহ ১৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে তাঁর। জামায়াতের প্রার্থী আবু সালেহ মো. মতিউর রহমানের কৃষি, শিক্ষকতা থেকে বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ অন্যান্য অস্থাবর সম্পদ ২৫ লাখ টাকার। স্থাবর সম্পদও ২৫ লাখ টাকার।

ঝিনাইদহ-২ : বিএনপি প্রার্থী ও দলের জেলা সভাপতি আব্দুল মজিদের ব্যবসা, কৃষি, সাইনিং মানিসহ বার্ষিক আয় ৫৩ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। মোটরযান, নগদ ও জমা অর্থসহ অস্থাবর সম্পদ এক কোটি ৪৫ লাখ টাকার। ঢাকায় বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট সাতটি এবং ঝিনাইদহে ১১টি। স্থাবর সম্পদ ১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার। ব্যাংক ঋণ এক কোটি ১০ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। জামায়াতের প্রার্থী আলী আজম মো. আবু বকরের কৃষি, ব্যবসা ও শিক্ষকতা থেকে বছরে আয় ১৩ লাখ টাকা। নগদ অর্থ, মোটরযান, স্বর্ণসহ অস্থাবর সম্পদ ৩৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকার। স্থাবর সম্পদ এক কোটি টাকার।
ঝিনাইদহ-৩ : বিএনপির প্রার্থী মেহেদী হাসানের কৃষি, বাড়ি, সম্পত্তি ভাড়া থেকে বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ টাকা। নগদ ও ব্যাংকে জমা অর্থ মিলিয়ে অস্থাবর সম্পদ ১৮ লাখ টাকার। জামায়াত প্রার্থী মতিয়ার রহমানের কৃষি, ব্যবসা ও সম্পত্তি থেকে বার্ষিক আয় চার লাখ ৬০ হাজার টাকা। নগদ অর্থসহ অস্থাবর সম্পদ ৩৯ লাখ টাকা। 

ঝিনাইদহ-৪ (সদরের চার ইউনিয়ন ও কালীগঞ্জ): গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির প্রার্থী হওয়া রাশেদ খান পেশা উল্লেখ করেছেন ব্যবসা ও রাজনীতি। ব্যবসা থেকে তাঁর বার্ষিক আয় সাড়ে চার লাখ টাকা। ৩৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ, ৩০ ভরি স্বর্ণসহ অস্থাবর সম্পদ ৮১ লাখ টাকার। 

স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা সাইফুল ইসলাম ফিরোজের ব্যবসা, কৃষি ও অন্যান্য খাতে বার্ষিক আয় আট লাখ টাকা। নগদ ২৯ লাখ টাকাসহ ৫৫ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

আরও পড়ুন

×