ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

চকচকে শহীদ মিনার, নেই শ্রদ্ধা অর্পণের আয়োজন

চকচকে শহীদ মিনার, নেই শ্রদ্ধা অর্পণের আয়োজন
×

রাজশাহীর বাঘায় পরিচ্ছন্ন শহীদ মিনারে নেই শ্রদ্ধার ফুল সমকাল

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:২৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের মানুষের মাঝে ফেব্রুয়ারি এলেই আলোচনায় আসে শহীদ মিনার। ভাষা নিয়ে বিশেষ করে বাংলা ভাষা নিয়ে চলে বিস্তর কাজ। তার সঙ্গে পরিচর্যা শুরু হয় শহীদ মিনারগুলোর। কোথাও আবার পড়ে থাকে অবহেলায়।

এমনই একটি শহীদ মিনার ছিল রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পারশাওতা-বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। চকচকে অবকাঠামোর শহীদ মিনারটি পড়ে ছিল শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন ছাড়াই। উপজেলার মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদদের স্মরণে নির্মিত শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলেও পারশাওতা-বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে কারও পা পড়েনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জুয়েল আহমেদ বলেন, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলনের নির্দেশ থাকলেও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের নির্দেশ ছিল না।

তাঁকে প্রশ্ন করা হয় তাহলে লাখ টাকা ব্যয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন শহীদ মিনার নির্মাণ করা হলো এবং বিগত বছরগুলোতে কীভাবে পুষ্পস্তবক করা হয়েছে? জবাবে ওই শিক্ষক বলেন, রাজনৈতিকভাবে করেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মাহমুদুর রহমান বলেন, শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। সব কিছু নির্দেশনা মেনেই হয় না। এর পরেও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি উদযাপনের কথা বলা হয়েছে। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের বিষয়ে কোনো নিষেধ ছিল না। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষে কর্মসূচির মধ্যে ছিল– একুশের প্রথম প্রহরে ১২টা ১ মিনিটে ভাষাশহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল সরকারি-আধাসরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলন, ‘একুশ জাতীয় জাগরণের প্রেরণা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন

×