ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর চোর চক্রের

পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর চোর চক্রের
×

কেইপিজেডের নিরাপত্তাকর্মী এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর চোর চক্রের হামলা। গত সোমবার রাতে কেইপিজেডের দক্ষিণ গেট এলাকায় সংগৃহীত

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা  

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬ | ০৮:১৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড) এলাকায় গাছ চুরির বিষয়কে কেন্দ্র করে কেইপিজেডের নিরাপত্তাকর্মী এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করেছে চোর চক্র। এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। গত সোমবার রাতে কেইপিজেডের দক্ষিণ গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

কেইপিজেড সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল কেইপিজেডের নর্থ ব্লকে চুরি করে গাছ কেটে নেওয়ার খবর পেয়ে দুই নিরাপত্তাকর্মী ঘটনাস্থলে যান। এ সময় চোর চক্রের সদস্যরা নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় ২ মে চারজনের নাম এজাহারভুক্তসহ আরও ১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে কর্ণফুলী থানায় মামলা করা হয়। এ বিষয়ে তদন্ত করতে ৪ মে শিল্প পুলিশ এজাহারভুক্ত জনৈক সালাউদ্দিনের বাড়িতে গেলে চোর চক্র পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও ইটপাটকেল মেরে পুলিশকে আক্রমণ করে। পুলিশ জানায়, গাছ কাটতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে দুর্বৃত্তরা নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
শিল্প পুলিশের এএসআই মিজানুর রহমান জানান, গাছ চুরির মামলায় অভিযুক্তদের ধরতে গেলে তারা পুলিশের সঙ্গে একাধিকবার সংঘর্ষে জড়ায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কেইপিজেডের উপমহাব্যবস্থাপক মুশফিকুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে কেইপিজেডের প্রায় ২০ হাজারের মতো গাছ চোর চক্র চুরি করে নিয়ে গেছে। কয়েক দিন আগে গাছ কাটতে বাধা দেওয়ায় তাদের এক নিরাপত্তারক্ষীকে গুরুতর আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা করা হয়েছে। সোমবার রাতে পুলিশের সঙ্গে চোর চক্রের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহীনুর আলম বলেন, এই ঘটনায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন

×