চট্টগ্রাম
এনসিপিতে ৭০০ নেতাকর্মী যোগ দিলেও নেই আলোচিত কেউ
মনজুর আলমের বিষয়টি গুঞ্জনই থেকে গেল
ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬ | ২৩:২০
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়ার বিষয়টি অবশেষে গুঞ্জনই থেকে গেল। বিভিন্ন দল থেকে ৭০০ নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগ দিলেও সে তালিকায় আলোচিত কেউ নেই। এর মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি জাফর আহমেদ চৌধুরী, আপ বাংলাদেশ-চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক হুজ্জাতুল্লাহ বিন ফারুক আজাদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. এমআর রহমান মাবরুর রয়েছেন।
এ ছাড়া সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ডা. মালেকা আফরোজ, ফজলে আদনান, জাতীয় নাগরিক ঐক্যের কো-অর্ডিনেটর জামাল উদ্দিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনের এই যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এতে বক্তব্য দেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। এ দেশের হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবার নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিতের দায়িত্ব আমাদের নিতে হবে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে একটা নির্বাচন হয়েছে। আমরা দেখেছি, নির্বাচনের আগে লাখ লাখ ভোটারের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। তাদের অধিকাংশ ছিল মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের। আজ যারা দলে যোগ দিচ্ছেন এবং যারা আগে থেকেই আছেন, সবাইকে একটাই প্রতিজ্ঞা করতে হবে– ঐক্যবদ্ধ থেকে জুলাই গণহত্যা ও সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এনসিপি এখন ক্ষমতায় নেই। বিরোধী দলে থাকলেও চট্টগ্রামে বসন্ত ফিরিয়ে এনেছে। আজ বিপুল নেতাকর্মী যোগদান এর প্রমাণ। দেশে এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে কালবৈশাখী বইছে।
এনসিপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকার বলেন, ঢাকা বিজয় হয়েছে। আজ চট্টগ্রাম বিজয়ের যাত্রা শুরু হয়েছে। যারা জুলাইয়ের সঙ্গে বেইমানি করেছে, তাদের সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই। বর্তমান সরকার জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করছে। সনদ বাস্তবায়নে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেছে। সরকার যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে, তাহলে আমরা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে দাবি আদায় করে নেব।
