শেষবারের মতো ভোলায় ফিরলেন তোফায়েল আহমেদ
তোফায়েল আহমেদ
ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬ | ১৪:১৪ | আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ | ১৫:৩৬
আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা, সাবেক মন্ত্রী এবং উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম অগ্রসৈনিক তোফায়েল আহমেদের মরদেহ নিজ জেলা ভোলায় পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার ভোলা হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। পরে জানাজার জন্য তার মরদেহ ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়।
এর আগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। সেখান থেকে দুপুর ১টার সময় মরদেহবাহী মেঘনা এভিয়েশনের একটি হেলিকপ্টার ভোলার উদ্দেশে রওনা হয়।
ভোলা জেলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে দক্ষিণ গঙ্গাপুর এলাকার কোরালিয়া গ্রামে মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
সোমবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তোফায়েল আহমেদ। পরে বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সাবেক মন্ত্রী, বিশিষ্টজন এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। জীবনের শেষ আট মাসেরও বেশি সময় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) কাটান এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রাখেন তিনি।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।
- বিষয় :
- তোফায়েল আহমেদ
